বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীয় কারাগারে ফের নিরাপত্তা ফাঁক! ফোন, টিভি নিয়ে আরামে হাই প্রোফাইল বন্দিরা
বেঙ্গালুরুর প্যারাপ্পানা আগ্রাহারা কেন্দ্রীয় জেল ঘিরে ফের উঠল গুরুতর অভিযোগ। ভয়ঙ্কর অপরাধী থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের রিক্রুটার এমন বহু দুষ্কৃতী যেখানে বন্দি, সেই উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই নাকি চলছে আরাম আয়েশের জীবন। সদ্য ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কিছু কুখ্যাত বন্দি জেলের ভেতরে বসেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন, কেউ আবার নিশ্চিন্তে টিভি দেখছেন।
ভিডিওতে চিহ্নিত হয়েছেন আইএসআইএস এর সক্রিয় রিক্রুটার জুহাদ হামিদ শেখিল মান্না ও সিরিয়াল ধর্ষক খুনি উমেশ রেড্ডি। রেড্ডিকে দেখা গেছে তাঁর সেলে বসে আরাম করে টেলিভিশন দেখতে। যা নিয়ে কার্যত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে।

ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই কারা দপ্তর নড়েচড়ে বসেছে। জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ও দায়ী কারা, তা খুঁজে বের করতে ইতিমধ্যেই অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু এই প্রথম নয়। গত অক্টোবরে একই জেলেরই আর এক শীর্ষ অপরাধী গুব্বাচি সীনার জন্মদিনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। কারা প্রাচীরের ভিতরেই কেক কাটা থেকে মালা পরানো সবকিছুর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রশ্ন উঠেছিল, বন্দিদের কাছে মোবাইল যায় কীভাবে?
এমনকি গত বছর রেনুকাস্বামী হত্যা মামলায় আটক অভিনেতা দর্শন তুঙ্গদীপকেও জেলের ভিতরে ভিআইপির মতো বসে চা ও কফি খেতে ও অন্য বন্দিদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা গিয়েছিল। সেই ছবিও তখন শোরগোল ফেলে দিয়েছিল।
বারবার ছবি ও ভিডিওর এই পুনরাবৃত্তি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে কারাগারের নজরদারি ব্যবস্থায় রয়েছে বড়সড় ফাঁক। বিশেষ সুবিধা, ঘুষ ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জাল কি জেলের নিরাপত্তাকেই অকার্যকর করে তুলছে? তদন্তের পরই মিলবে সঠিক উত্তর। তবে আপাতত প্রশ্ন একটাই কঠোর নিরাপত্তার দাবি কি শুধুই কাগজে কলমে?












Click it and Unblock the Notifications