Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

প্রসূতি মায়েদের গোপন ভিডিও ফাঁস ইউটিউব, টেলিগ্রামে, ‘মহাকুম্ভ স্নানের’ ভিডিও বলে বিক্রি!

হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের বিভিন্ন ধরনের টেস্ট হয়ে থাকে। আর প্রত্যেকের বিভিন্ন ধরনের অবস্থাও থাকে। নতুন মায়েদের শারীরিক গঠনেও থাকে পরিবর্তন। তবে সেই সব পরিবর্তন নিয়েই হাসপাতালে তাঁদের বিভিন্ন টেস্ট হয়। কিন্তু তা বলে কি প্রসূতিদের গোপনীয় ভিডিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা হাসপাতালের কোনও কর্মী সংগ্রহ করে রাখে? চিকিৎসা পরিষেবার নামে এ কেমন প্রহসন? অন্তত এই প্রশ্ন গুলি এবার জোরদার হবে, কেননা গুজরাতের রাজকোটে এমনই ঘটনা ঘটেছে।

গুজরাতের রাজকোটের পায়েল ম্যাটারনিটি হাসপাতালের মহিলা রোগীদের গোপনীয় ভিডিও ফাঁস হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মেডিকেল পরীক্ষার সময় রেকর্ড করা একাধিক ব্যক্তিগত ভিডিও ইউটিউব ও টেলিগ্রামে শেয়ার করায়, যা ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। একই সাথে পুলিশের তদন্তেও উঠে এসেছে নতুন তথ্য।

প্রতীকী ছবি

কীভাবে ফাঁস হল এই ভিডিও?

যা জানা যাচ্ছে, "মেঘা এমবিবিএস" নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে এরকমই সাতটি ভিডিও আপলোড করা হয়েছিল। ভিডিও দেখার জন্য টেলিগ্রামে ৯৯৯-১৫০০ টাকার বিনিময়ে সাবস্ক্রিপশন অফার করা হয়েছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তি দর্শকদের আকৃষ্ট করতে থাম্বনেইলে লিখেছিল "মহা কুম্ভ স্নানের" ভিডিও। আর তা দেখেই বহু মানুষ সেই ভিডিও দেখার জন্যে সাবস্ক্রাইবও করে। আর ভিডিও ওপেন করতেই দেখা যায় এই চাঞ্চল্যকর ভিডিও গুলি।

পুলিশের মতে, ভিডিও গুলো হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ বলে মনে হচ্ছে, যেখানে একজন মহিলা ডাক্তার ও নার্স রোগীদের পরীক্ষা করছেন। গুজরাত পুলিশের সহকারী কমিশনার (সাইবার ক্রাইম) হার্দিক মাকাদিয়া এদিন এই প্রসঙ্গে বলেন, "অভিযুক্ত ব্যক্তি ইউটিউব ও টেলিগ্রামে ভিডিও বিক্রির জন্য স্ক্রিন গ্র্যাব শেয়ার করেছিল। গ্রুপের সদস্যসংখ্যা ৯০-এর বেশি"।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, টেলিগ্রাম গ্রুপটি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে খোলা হয়। আর ইউটিউব চ্যানেলটি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চালু হয়। আর তখন থেকেই বিভিন্ন ধরনের ভাইরাল ভিডিও তারা শেয়ার করে আসছে।

এই প্রসঙ্গে আবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অন্য কথায় বলছে। পায়েল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, তাদের সিসিটিভি সিস্টেম হ্যাক করা হয়েছে। "আমরা কোনো ভুল করিনি। পুলিশি তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করব", বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের মুখপাত্র। তবে হাসপাতাল ব্যাখ্যা করতে পারেনি, কেন গোপন পরীক্ষার ঘরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। সেই বিষয়গুলি গোপনীয়ই। তাহলে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা রাখার মানে কী?

যা জানা যাচ্ছে, গুজরাত পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের সন্ধানে কাজ করছে এবং সংশ্লিষ্ট ইউটিউব ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। অন্যদিকে, হাসপাতালের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাইবার পুলিশ টেলিগ্রাম ও ইউটিউব কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করছে, যাতে সেই ভিডিও গুলিকে তারা ডিলিট করে দেয়। এই ধরনের ঘটনা যেন ভবিষ্যতে না ঘটে, সে জন্য হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখাও হচ্ছে।

তবে শুধু এই হাসপাতাল নয়, প্রসূতি বিভাগ সংক্রান্ত যেকোনও হাসপাতাল নিয়েই এবার প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ, সেই হাসপাতালগুলি সুরক্ষিত তো?

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+