Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ডের যাবতীয় নথি জমা পড়ল সুপ্রিম কোর্টে, কী জানাল SBI
নির্বাচনী বন্ডের যাবতীয় নথি সুপ্রিম কোর্টে জমা দিল এসবিআই। আগেই তার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এর আগে আংশিক তথ্য আদালতে জমা দিয়েছিল এসবিআই। কিন্তু কোন পার্টি কার কাছ থেকে কতো টাকা পেয়েছে তার বিশদ তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশ মেনেই নীর্বাচনী বন্ডের যাবতীয় তথ্য আজ পেশ করে এসপিআই। আদালতে নির্দেশ মেনে আলফানিউমারিক নম্বরও নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। এবার আর কোনও তথ্যই তারা গোপন করেনি বলে হলফনামা দিয়ে আদালতকে জানিয়েছে এসবিআই।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী বন্ডস্কিমকে বেআইনি বা অসাংবিধানিক জানিয়ে বাতিল করেছিল শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে এই প্রকল্পের যাবতীয় তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করা নির্দেশ দিয়েছিল ৫ বিচারপতির বেঞ্চ। তাতে কোন রাজনৈতিক দল কার কাছ থেকে কতো টাকা পেয়েছিল তার যাবতীয় তথ্য দেওয়া থাকবে বলে জানানো হয়েছিল।
আদালতের নির্দেশ মেনে এসবিআই গত ১৩ মার্চ নির্বাচনী বন্ডের তথ্য তুলে দেয় আদালতে। কিন্তু আদালত সেই তথ্যে সন্তুষ্ট হয়নি। তাতে কেবল কোন সংস্থা কতটাকা নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পে টাকা দিয়েছিল তার উল্লেখ ছিল। কোন রাজনৈতিক দল কত টাকা পেয়েছে তার কোনও উল্লেখ ছিল না। এসবিআইয়ে এই তথ্যকে অসসম্পূর্ণ জানিয়ে নতুন করে যাবতীয় তথ্য দিতে বলা হয়। এবং তাতে নির্বাচনী বন্ডে ইউনিক আলফা নিউমেরিক নম্বর প্রকাশ করার কথাও বলা হয়েছিল।
২১ মার্চের মধ্যে যাবতীয় তথ্য পুনরায় পেশ করতে বলে শীর্ষ আদালত। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সব তথ্য পেশ করে এসবিআই। নির্বাচনের কাজে কালো টাকার ব্যবহার রুখতেই এই নির্বাচনী বন্ডে চালু করেছিল মোদী সরকার। ২০১৮ সালের লোকসভা ভোটের আগে প্রয়াত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এই নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পটি ঘোষণা করেছিলেন। তাতে বলা হয়েছিল কোনও সংস্থা বা ব্যক্তি কোনও রাজনৈতিক দলকে চাঁদা দিতে চাইলে এই নির্বাচনী বন্ড কিনতে পারেন। ১ হাজার টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত নির্বাচনী বন্ড কেনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী বন্ডস্কিমকে বেআইনি বা অসাংবিধানিক জানিয়ে বাতিল করেছিল শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে এই প্রকল্পের যাবতীয় তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করা নির্দেশ দিয়েছিল ৫ বিচারপতির বেঞ্চ। তাতে কোন রাজনৈতিক দল কার কাছ থেকে কতো টাকা পেয়েছিল তার যাবতীয় তথ্য দেওয়া থাকবে বলে জানানো হয়েছিল।
আদালতের নির্দেশ মেনে এসবিআই গত ১৩ মার্চ নির্বাচনী বন্ডের তথ্য তুলে দেয় আদালতে। কিন্তু আদালত সেই তথ্যে সন্তুষ্ট হয়নি। তাতে কেবল কোন সংস্থা কতটাকা নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পে টাকা দিয়েছিল তার উল্লেখ ছিল। কোন রাজনৈতিক দল কত টাকা পেয়েছে তার কোনও উল্লেখ ছিল না। এসবিআইয়ে এই তথ্যকে অসসম্পূর্ণ জানিয়ে নতুন করে যাবতীয় তথ্য দিতে বলা হয়। এবং তাতে নির্বাচনী বন্ডে ইউনিক আলফা নিউমেরিক নম্বর প্রকাশ করার কথাও বলা হয়েছিল।
২১ মার্চের মধ্যে যাবতীয় তথ্য পুনরায় পেশ করতে বলে শীর্ষ আদালত। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সব তথ্য পেশ করে এসবিআই। নির্বাচনের কাজে কালো টাকার ব্যবহার রুখতেই এই নির্বাচনী বন্ডে চালু করেছিল মোদী সরকার। ২০১৮ সালের লোকসভা ভোটের আগে প্রয়াত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এই নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পটি ঘোষণা করেছিলেন। তাতে বলা হয়েছিল কোনও সংস্থা বা ব্যক্তি কোনও রাজনৈতিক দলকে চাঁদা দিতে চাইলে এই নির্বাচনী বন্ড কিনতে পারেন। ১ হাজার টাকা থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত নির্বাচনী বন্ড কেনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications