২০১৯-২০২৪-এর মধ্যে কেনা হয়েছে ২২,২১৭ টি নির্বাচনী বন্ড! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় আর কী তথ্য SBI-এর
নির্বাচনী বন্ড নিয়ে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন করার পরে বুধবার সর্বোচ্চ আদালতে হলফনামা দিল এসবিআই। সেখানে তারা জানিয়েছে, ২০১৯-এর পয়লা এপ্রিল থেকে ২০২৪-এর ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ২২,২১৭ টি নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলি পেয়েছে ২২,০৩০ টি।
হলফনামা দাখিল করে এসবিআই-এর চেয়ারম্যান শীর্ষ আদালতকে বলেছেন, তারা আদেশ মেনে প্রতিটি বন্ড কেনার তারিখ, মূল্য এবং ক্রেতার নাম নথিভুক্ত করে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে নগদ করার তারিখ এবং বন্ডের ভিত্তিতে নগদ কত টাকা পেয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি তার বিবরণও দেওয়া হয়েছে বলে হলফনামায় জানানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া সময়সীমা মেনে এসবিআই বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাঠিয়ে দেয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন ২০২৪-এর ১৫ মার্চ তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে। এসবিআই সুপ্রিম কোর্টকে সিল কভারে যা দিয়েছিল, তাও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
সূত্রের খবর, এসবিআই নির্বাচনী বন্ডের স্কিম শুরু হওয়ার পর থেকে ত্রিশটি ধাপে ১৬৫১৮ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড দারি করেছে।
সোমবার শুনানির সময় এসবিআই-এর তরফে বর্ষীয়ান আইনজীবী হরিশ সালভে তথ্য দেওয়ার জন্য ৩০ জুন পর্যন্ত সময় চেয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলির বিশদ বিবরণ, দলগুলির যেসব বন্ড পেয়েছে, তার সংখ্যাও দিতে হবে। এসওপির অধীনে বলা হয়েছে বন্ডের ক্রেতা ও বন্ড সম্পর্কে তথ্যের মধ্যে কোনও যোগসূত্র নেই। কেননা তা গোপন রাখতে বলা হয়েছিল। বন্ডে ক্রেতার নাম ও ক্রয়ের তারিখ কোড করা রয়েছে, যা ডিকোড করতে সময় লাগবে বলেও জানিয়েছিলেন এসবিআই-এর আইনজীবী। যদিও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ সেই আবেদন না মেনে পরেরদিন অর্থাৎ ১২ মার্চ বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে নির্বাচন কমিশনে সব তথ্য জমার নির্দেশ দেয়।
প্রসঙ্গত এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনী বন্ডকে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দেয়। পাশাপাশি এসবিআইকে ২০১৯-এর ১২ এপ্রিল থেকে কেনা সব নির্বাচনী বন্ডের বিশদ বিবরণ ছয় মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেখানে যা ১৩ মার্চের মধ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দেওয়ার পরেও ১১ মার্চ সেই কাজ না হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রধান বিচারপতি।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications