পতৌদি সম্পত্তি মামলায় জোর ধাক্কা খেল সইফের পরিবার, হারাতে হতে পারে ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি
সইফ আলি খানের ওপর বোধহয় গ্রহের প্রভাব চলছে। অন্তত, জ্যোতিষীদের প্রশ্ন করলে তারা এটাই বলবেন। যাকে বলে গ্রহের দোষ! কেননা প্রথমে তাঁর ওপর এত বড় হামলা হল, আর এবার পতৌদি সম্পত্তির ওপর সেই গ্রহেরই প্রভাব পড়ল।
মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট ভোপালে পতৌদি পরিবারের সম্পত্তিকে 'শত্রু সম্পত্তি' হিসাবে ঘোষণা করার সরকারি নোটিশের বিরুদ্ধে দায়ের করা বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খানের আবেদন খারিজ করেছে। বেশ কয়েকটি মিডিয়া রিপোর্টে অন্তত এমনটাই বলা হয়েছে।

মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি বিবেক আগরওয়ালের একক বেঞ্চ, গত ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪-এ শুনানির সময়, অভিনেতা সইফ আলি খানের আবেদন খারিজ করে দেয়। হাইকোর্ট তার আদেশে নির্দেশ দিয়েছেন যে তিনি আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারেন। তবে সইফ ও তার পরিবারের কেউই এখনও কোনো ব্যবস্থা নেননি বলেই জানা যাচ্ছে।
সূত্রের খবর, পতৌদি পরিবারের ভোপালে ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। সইফ আলি খান এবং শর্মিলা ঠাকুরের পরিবারের সম্পত্তি কোহেফিজা থেকে চিকলোদ পর্যন্ত বিস্তৃত এই সম্পত্তির পরিমাণ।
২০১৪ সালে প্রথম এই মামলার শুরু হয়েছিল। সেই সময় শত্রু সম্পত্তি বিভাগের কাস্টডিয়ান ভোপালে অবস্থিত পতৌদি পরিবারের সম্পত্তিগুলিকে শত্রু সম্পত্তি হিসাবে ঘোষণা করে একটি নোটিশ জারি করে। ভারত সরকারের ২০১৬ সালের অধ্যাদেশের কারণে বিরোধ আরও গভীর হয়। যা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে পতৌদি পরিবারের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীর কোনো অধিকার থাকবে না।
১৯৬০ সালে ভোপাল নবাব হামিদুল্লাহ খানের মৃত্যুর পর, তার কন্যা আবিদা সুলতানকে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। আবিদা সুলতান ১৯৫০ সালে নিজেই পাকিস্তানে চলে যান, যার কারণে ভারত সরকার তার দ্বিতীয় কন্যা সাবিয়া সুলতানকে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসাবে ঘোষণা করে।
সইফ আলি খান ২০১৫ সালে হাইকোর্টে এই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করেন এবং সম্পত্তিতে স্থগিতাদেশ পান। কিন্তু ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪-এ, হাইকোর্ট তার আবেদন খারিজ করে, যার ফলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়ে যায়।
শত্রু সম্পত্তি কি?
শত্রু সম্পত্তি এমন একটি সম্পত্তি যা এমন একজন ব্যক্তির সম্পত্তি যে ভারত ভাগের সময় পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল এবং পরে ভারতীয় নাগরিকত্ব ছেড়ে দিয়েছিল। পতৌদি পরিবারের সম্পত্তি এই শ্রেণীতে পড়ে, কারণ আবিদা সুলতান পাকিস্তানে স্থায়ী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
ভারত সরকারের অধ্যাদেশের পর, পতৌদি পরিবারের কাছ থেকে যারা সম্পত্তি কিনেছেন তারা আশঙ্কা করছেন যদি সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে, তাহলে তাদের 'অধিগ্রহণকারী' ঘোষণা করা হতে পারে।
এখন আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী এসব সম্পত্তির ওপর সরকারের অধিকার থাকতে পারে। ভোপাল জেলা প্রশাসন যে কোনও সময় সম্পত্তিগুলি দখলের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে। এই সম্পত্তির মূল্য প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। যার মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক ভবন এবং ভূপাল রাজ্যের সাথে সম্পর্কিত জমি। সইফ আলি খান এবং তার পরিবার যদি কোনও ব্যবস্থা না নেন, তাহলে এই বিশাল পরিমাণ সম্পত্তি চিরতরে হাতছাড়া হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications