'কুন্ডলি মেলেনি' বললেই রেহাই নয়! বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক, পরে অস্বীকার গুরুতর অপরাধ: হাইকোর্ট
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলার পর কুন্ডলি না মেলার অজুহাতে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে আইনের চোখে তা গুরুতর অপরাধ হতে পারে, ঠিক এরকমটাই জানাল দিল্লি হাইকোর্ট। এক অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করতে গিয়েই আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে।

বিচারপতি বলেন যে, অভিযোগ অনুসারে অভিযুক্ত বারবার বিয়ের আশ্বাস দিতেন, এবং জানান যে কুন্ডলি মেলানো-সহ কোনওরকম বাধা নেই। সেই আশ্বাসের উপরে ভিত্তি করেই তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু পরে হঠাৎ করে কুন্ডলি না মেলার কারণ দেখিয়ে বিয়ে করতে অস্বীকার করা হয়। যদি এরকম পরিস্থিতি হয় তাহলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৯ নম্বর ধারায় প্রতারণার মাধ্যমে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রযোজ্য হতে পারে।
আদালত জানিয়ে দেয় যে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রথমবার এই অভিযোগ দায়ের করা হলেও অভিযুক্ত এবং তাঁর পরিবারের বিয়ের আশ্বাসে সেই অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু পরে সেই একই কারণে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার কারণে আবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অভিযুক্তের দাবি ছিল যে, সম্পর্ক দুই জনের সম্মতিতেই ছিল এবং দীর্ঘদিনের পরিচয় থাকার কারণে ধর্ষণের অভিযোগ খাটে না। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন তিনি।
হাইকোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সমস্ত ভেঙে যাওয়া সম্পর্ককে ফৌজদারি মামলা বলা যায় না। কিন্তু এই ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং তারপরে তা অস্বীকার করার ঘটনাক্রম বিষয়টিকে একদমই আলাদা মাত্রা দিয়েছে। তাই এই পর্যায়ে জামিন মঞ্জুর করা যাচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications