Rajasthan Election 2023: অমিত শাহের ডাককেও উপেক্ষা! লড়াইকে বিজেপির পক্ষে কঠিন করে তুলেছেন বিদ্রোহীরা
Rajasthan Assembly Election 2023: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ফোন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতের কৌশল কাজে লাগেনি। শেষ পর্যন্ত ২৫ নভেম্বরের নির্বাচনে রাজস্থানে বিজেপির লড়াইয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে ঠেলেছেন ২৫-এর বেশি বিদ্রোহী প্রার্থী। যাঁরা বিজেপির সরকারি প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সামিল হয়েছেন।
সূত্রের খবর, বিজেপির তরফ থেকে এর মধ্যে বেশ কয়েকজনকে বুঝিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরানোর ব্যাপারে চেষ্টা করা হলেও সীমিত সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। অমিত শাহের ব্যক্তিগত ফোনের পরে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোরের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। কিন্তু অপর বিদ্রোহী আশু সিং সুরপুরা আসন থেকে সরে দাঁড়াতে রাজি হননি। তিনি নির্দল হিসেবে লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন।

বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের অনুরোধে মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীদের তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজের অনুগত রাজপাল সিং শেখাওয়াত। তবে বিশিষ্ট নেতাদের মধ্যে যাঁরা নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে যেতে রাজি হননি, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, ইউনুস খান। তিনি দেওয়ানায় বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র যোধার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন।
এছাড়াও যাঁরা মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজি হননি তাঁদের একজন হলেন চন্দ্রভান সিং আক্যা। চিতোরগড়ের বিদায়ী বিধায়ক হলেও, তাঁর আসনে দাঁড় করানো হয় ভৈরোঁ সিং শেখাওয়াতের জামাই নরপত সিং রাজভি। এরপরে চন্দ্রভান সিং আক্যা সেই আসনে নির্দল হিসেবে দাঁড়িয়ে পড়েন। চিতোরগড়ে নরপত সিং রাজভির লড়াইকে কঠিন করে তুলেছেন চন্দ্রভান সিং আক্যা।
গত সপ্তাহের আক্যা বিজেপির সদস্যপদে ইস্তফা দেন। তারপর থেকে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব অনেক চেষ্টা করেও, তাঁকে লড়াই থেকে সরাতে পারেনি। উপরন্তু তিনি রাজ্য বিজেপি সভাপতি সিপি যোশীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। এছাড়াও শাহুপুরের বর্তমান বিধায়ক কৈলাশ মেঘওয়াল প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার পরে দলীয় প্রার্থী রাম বিরওয়ারের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন।
ইউনুস খান ২০১৩-২০১৮ সালের মধ্যে মুসলিম অধ্যুষিত দেদওয়ানা থেকে বিধায়ক ছিলেন। ২০১৮ সালে বসুন্ধরা রাজের এই অনুগতকে টঙ্ক আসনে সচিন পাইলটের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হয়। কিন্তু তিনি হেরে যান। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির একমাত্র মুসলিম প্রার্থী ছিলেন। এবার ২০০ আসনের একটিতেও মুসলিম প্রার্থী দেয়নি বিজেপি।
এবার নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ইউনুস খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, বিজেপি কেন তাঁকে এবার প্রার্থী করেনি, তা তিনি জানেন না। তবে বিজেপির এই সিদ্ধান্তে তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ বলে দাবি করেছেন ওই নেতা। ২৫ বছর তিনি বিজেপিতে ছিলেন এবং যা বলা হয়েছে, তাই তিনি করেছেন। তিনি শুধু আদেশ পালন করে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
শনিবারের লড়াইয়ে আর যেসব আসনে বিজেপিকে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে, সেগুলি হল বাসি, জালোর, খান্ডেলা, লাদপুরা, সুরাতগড়, সুজানগড়, শিকর, কোটপুটলি।












Click it and Unblock the Notifications