শপথ নিতে গিয়ে বড় ভুল রাহুল গান্ধীর! সাংসদরা স্মরণ করিয়ে দিতেই ফিরলেন প্রোটেম স্পিকারের কাছে
১৮ তম লোকসভার প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন ছিল সোমবার। আর এই অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে শপথ নিলেন ২০০-র বেশি সাংসদ। এদিন যেমন হায়দরাাবাদের এআইএমআইএম সাংসদ আসাদউদ্দিনও ওয়েইসি শপথ নেন, ঠিক তেমনই শপথ নেন রায়বরেলির কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।
শপথ নিতে গিয়ে এদিন ভুল করে বসেন কংগ্রেস সাংসদ। শপথ নেওয়ার পরে তিনি প্রোটেম স্পিকারের সঙ্গে দেখা না করেই সরাসরি সই করতে চলে যান। তবে সেই সময় অন্য কংগ্রেস সাংসদরা তাঁকে ভুল ধরিয়ে দেন। তারপর রাহুল গান্ধী স্পিকারের কাছে গিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।

- সংবিধানের অনুলিপি হাতে শপথ রাহুলের
রাহুল গান্ধী এদিন সাংসদ হিসেবে শপথ নিতে সংবিধানের কপি সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বিজেপি সাংসদদের উদ্দেশে সংবিধানের সেই কপি দেখিয়ে ১৮ তম লোকসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন। এদিন শপথ নেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী এক হাতে সংবিধানের কপিও ধরে রেখেছিলেন।
- একই পথে অখিলেশও
১৮ তম লোকসভার প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে শপথ নিয়েছেন উত্তর প্রদেশের কনৌজ থেকে নির্বাচিত সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব। রাহুল গান্ধীর মতো শপথ নেওয়ার সময় এদিন তাঁর হাতেও ছিল সংবিধানের অনুলিপি। অখিলেশ যাদব ছাড়াও এদিন শপথ নিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী তথা মইনপুরীর সাংসদ ডিম্পল যাদবও।
এছাড়াও যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা হলেন, মুজাফফরনগরের সমাজবাদী পার্টির সাংসদ মহেন্দ্র মালিক, কাইরানার এসপি সাংসদ ইকরা চৌধুরী, ফিরোজাবাদের এসপি সাংসদ অক্ষয় যাদব-সহ অন্যরা।
প্রসঙ্গত, রাহুল গান্ধী এবার কেরলের ওয়ানাড ছাড়াও উত্তর প্রদেশের রায়বরেলি থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি রায়বরেলি রেখে ওয়ানাড ছেড়ে দেন। কংগ্রেস ঠিক করেছে ওয়ানাড থেকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।
- বিজেপির নিশানায় কংগ্রেস
এদিকে বিজেপি, কংগ্রেস সাংসদদের সংবিধানের অনুলিপি হাতে শপথ নেওয়ার ঘটনায় তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে। এনডিএ সরকারের শীর্ষ মন্ত্রীরা ইন্দিরা গান্ধী সরকারের জরুরি অবস্থা জারির ৫০ তম বার্ষিকী উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা পোস্ট করেছেন।
#WATCH | Congress MP Rahul Gandhi takes oath as a member of the 18th Lok Sabha. pic.twitter.com/2UjQqn7CYd
— ANI (@ANI) June 25, 2024
বিজেপির তরফে আরও বলা হয়েছে, কেবল ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার জন্য তৎকালীন কংগ্রেস সরকার প্রতিটি গণতান্ত্রিক নীতিকে উপেক্ষা করেছিল এবং দেশকে একটি জেলে পরিণত করেছিল। কংগ্রেসের সঙ্গে একমত না হওয়া যে কোনও ব্যক্তিকে নির্যাতন ও হয়রানি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন বিজেপির সাংসদরা। তাঁরা বলেছেন যাঁরা জরুরি অবস্থা জারি করেছে, তাদের দেশের সংবিধানের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের কোনও অধিকার নেই।












Click it and Unblock the Notifications