গেহলট-পাইলটের সম্পর্কের শৈত্য কাটল রাজস্থান নির্বাচনের মুখে! কী এমন মন্ত্র দিলেন রাহুল
অশোক গেহলট বনাম শচীন পাইলটের পুরনো বিবাদ মিটমাট হয়ে গেল রাহুল গান্ধীর এক টোটকাতেই। কী এমন মন্ত্র দিলেন তিনি যে, রাজস্থানের দুই জনপ্রিয় প্রবীণ ও নবীনের মধ্যে সম্পর্কের শৈত্য কেটে গেল। আবার মৃদুমন্দ বাতাস বইতে শুরু করলে রাজস্থানের কংগ্রেস শিবিরে?
রাজস্থানের নির্বাচনের মুখে কংগ্রেস মাস্টারস্ট্রোক দিল। রাহুলের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে কংগ্রেস শিবিরে ফের বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ। অশোক-শচীন ফের হাত ধরাধরি করে নির্বাচনে লড়বেন। এবং বিজেপিকে হারানোর রসদ খুঁজবেন। কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খার্গের বাড়িতে চার ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকেই সব সমস্যার সমাধান।

কিন্তু এমন মন্ত্র দিলেন রাহুল গান্ধী? রাহুল ভারত জোড়ো যাত্রা থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতাই প্রয়োগ করলেন দুই নেতাকে নিরস্ত্র করতে। রাহুল গান্ধী দলের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে নিয়ে রাজস্থানের দুই নেতার সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন। তারপরই উভয়কে একসঙ্গে বসিয়ে রাহুল দলে স্বাস্থ্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতার বার্তা দিয়েছেন।
রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, কী শর্তে দু'জনের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে? তা এখনও স্পষ্ট নয় বা সামনে আনা হয়নি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে দুই নেতাই একসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন। বৈঠকের পর গেহলট ও পাইলট দুই নেতাই কিছু বলেননি। কিন্তু দুই নেতাই খুশি!
গেহলট-পাইলট একসঙ্গে নির্বাচনে লড়বেন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে জয় তুলে আনবেন। সকলেই এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে যে, কংগ্রেস ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে লড়ে বিজেপিকে হারাবে। তারপর হাইকমান্ড উভয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। হাইকমান্ড সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী ইস্যুতে।

তবে কি কংগ্রেস জিতলে এবার গেহলট ও পাইলট হাইকম্যান্ডের সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করবেন। তাঁরা কি সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের মতো সংযম দেখাবেন, সে প্রশ্ন রয়েই যায়। কংগ্রেস নেতৃত্ব গেহলট এবং পাইলট উভয় নেতাকে তাদের মতভেদ ভুলে এই বছরের শেষের দিকে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য একত্রিত হওয়ার জন্য আবেদন করেছিল।
আগামী দিনে রাজস্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে। কংগ্রেস আগামী বিধানসভা নির্বাচনে গেহলটের নেতৃত্বে লড়বে। তবে শচীন পাইলটের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হবে। সমঝোতার পরিপ্রেক্ষিতে পাইলট আর গেহলট সরকারের বিরুদ্ধে মোর্চা খুলবেন না। শচীনকে সম্মান জানাবেন গেহলটও।
উল্লেখ্য, শচীন পাইলটের বিদ্রোহের কারণে কংগ্রেস অস্বস্তিতে পড়েছিল রাজস্থানে। শচীন পাইলট জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার মতো পদক্ষেপ নেননি। এখন কর্নাটকের মতো রাজস্থান নির্বাচনের পর পর্যন্ত বিতর্ক তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা সিদ্ধান্ত হবে রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনের পর ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে।












Click it and Unblock the Notifications