ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় সাইকেল চালালেন রাহুল! কয়লা বহনকারী শ্রমিকদের কাছে জানতে চাইলেন, তাঁদের আয় কত ?
ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা নিয়ে এখন ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। গত দোসরা ফেব্রুয়ারি রাহুল গান্ধী ঝাড়খণ্ডের পাঁকুড়ে পৌঁছেছিলেন। সেখান থেকে রাহুল গান্ধী ধানবাদ, বোকারো, রামগড় হয়ে রাঁচিতে পৌঁছেছেন। চার ফেব্রুয়ারি তিনি রামগড় পৌঁছে সন্ধেয় রাঁচির উদ্দেশে রওনা হন। এই সময় তিনি পথের মধ্যে কয়লাবহনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের আয় সম্পর্কেও জানতে চান রাহুল গান্ধী।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কয়লা বহনকারীদের সঙ্গে তাঁর কথা বলার ছবি শেয়ার করেছেন। পাশাপাশি তাঁকে সাইকেল চালাতেও দেখা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুল গান্ধী লিখেছেন, তাঁদের সঙ্গে হাঁটা, তাঁদের বোঝা অনুভব করা ছাড়া তাঁদের সমস্যা বোঝা যাবে না। তিনি আরও বলেছেন, এই তরুণ কর্মীদের জীবন মন্থর হলে ভারত গড়ার চাকাও থেমে যাবে।

রাহুল গান্ধীকে স্বাগত জানাতে রাঁচিতে হোর্ডিং ও বোর্ড লাগানো হয়েছে। তাঁকে দেখতে ভিড়ও দেখা গিয়েছে। রাহুল গান্ধীর জন্য পতাকা নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস কর্মীদের। রাঁচি যাওয়ার পথে ছুট্টুপলু উপত্যকার শহিদস্থলে নামেন রাহুল গান্ধী। রাহুল গান্ধী সেখানে শহিদ টিকাইত উমরাও সিং ও শহিদ শেখ ভিখারিকে শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এদিন রাহুল গান্ধী তাঁর ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা নিয়ে রাঁচির ইরবাতে পৌঁছন। সেখানকার ইন্দিরা গান্ধী হ্যান্ডলুম প্রসেস গ্রাউন্ডে তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলেন। দুপুরের খাওয়ার পর রাহুল গান্ধী যাত্রা নিয়ে রাঁচির শহিদ ময়দানে যান। সেখানে হওয়া জনসভায় তিনি ভাষণও দেন। রাঁচির ওই জনসভায় এদিন ব্যাপক জনসমাগমও হয়।
साइकिल पर 200-200 किलो कोयला लेकर रोज़ 30-40 किलोमीटर चलने वाले इन युवाओं की आय नाम मात्र है।
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) February 5, 2024
बिना इनके साथ चले, इनके भार को महसूस किए, इनकी समस्याओं को नहीं समझा जा सकता।
इन युवा श्रमिकों की जीवनगाड़ी धीमी पड़ी, तो भारत निर्माण का पहिया भी थम जाएगा। pic.twitter.com/T1nKoC6Mdw
গত সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের আগে রাহুল গান্ধী ছিলেন বিহারের পূর্ণিয়ায়। সেখানে তাঁকে একেবারে দেশীয় পোশাকে পাওয়া গিয়েছিল। তিনি মাথায় গামছা বেঁধে খাটে বসে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেথিলেন। তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথাও শুনেছিলেন তিনি। পূর্ণিয়ায় কৃষকদের সব সমস্যার জন্য মোদী সরকারকে দায়ী করেছিলেন রাহুল গান্ধী।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, কৃষকদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। সাধারণ কৃষকদের কাছ থেকে জমি কেড়ে নিয়ে আদানির মতো বড় শিল্পপতিদের উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। ওয়ানাড়ের কংগ্রেস সাংসদ সেদিন বলেছিলেন, তিনি মনে করেন কৃষকরা দেশের মেরুদণ্ড। কিন্তু কৃষকদের ঋণ মকুব না করে শিল্পপতিদের ঋণ মকুব করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications