আরজেডির অপেক্ষা করার কী দরকার! আসনের শেয়ার নিয়ে নীতীশকে খোঁচা পিকে’র
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে আর সহ্য করতে পারছেন না ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর। ফের তিনি নীতীশ কুমারকে খোঁচা দিলেন। এবার আরজেডির আসন সংখ্যা নিয়ে ঠেস দিলেন পিকে।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে আর সহ্য করতে পারছেন না ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর। ফের তিনি নীতীশ কুমারকে খোঁচা দিলেন। এবার আরজেডির আসন সংখ্যা নিয়ে ঠেস দিলেন পিকে। তিনি বলেন, আরজেডি আর অপেক্ষা করার দরকার নেই! কেননা আরজেডির শেয়ার সবথেকে বেশি।
বিহারে বিজেপি জোট ছেড়ে মহাজোটে ফিরেও কম আসন শেয়ার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি দখল করে রেখেছেন নীতীশ কুমার। তাঁকেই একহাত নিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, আরজেডির আর অপেক্ষা করার দরকার কী! উল্লেখ্য, নীতীশ কুমার সম্প্রতি জানিয়েছেন ২০২৫-এর নির্বাচনে আরজেডির তেজস্বী যাদবকে সামনে রেখে লড়বে মহাজোট।

এদিকে ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর জন সুরজ যাত্রায় রাজ্যজুড়ে ভ্রমণ করছেন। তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে পুনঃপ্রবেশ করতে চলেছেন বলেই রাজনৈতিক মহলের খবর। তার আগে তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের ডেপুটি তথা রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রঝান তেজস্বী যাদবকে উদ্দেশ্য করে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, আর অপেক্ষা করার দরকার নেই। বেশি আসন শেয়ার নিয়ে ডেপুটি থাকার অর্থ নেই বলে তিনি তেজস্বী যাদবকে নীতীশের পাশ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিযেছেন।
প্রশান্ত কিশোর সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন নীতীশ কুমারের হাত ধরেই। জেডিইউয়ের সহ সভাপতি করা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কিছুদিন পরেই উভয়ের মনোমালিন্য শুরু হয়। নীতীশ কুমারের সঙ্গ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি ভোটকৌশলী হিসেবে বিজেপির বিরুদ্ধে একের পর এক রাজ্যে সাফল্য অর্জন করেন।
নীতীশ কুমার এই সপ্তাহের শুরুতেই জেডিইউ নেতা তেজস্বী যাদবকে তাঁর উত্তরসূরি বলে চিহ্নিত করেন। এরপরই প্রশান্ত কিশোর নীতীশ কুমারকে খোঁচা দিয়ে মনে করিয়ে দেন বিহারে কিন্তু আরজেডি সবথেকে বৃহত্তম দল। সেই দলের সঙ্গে জোটে থেকে ছোটো শরিক হয়েও জেডিইউয়ের নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রর আসনে বসেছেন।
প্রশান্ত কিশোর বলেন, তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত করার জন্য ২০২৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার দরকার নেই। আরজেডি বৃহত্তম শক্তি। তাই এখনই নীতীশ কুমারের উচিত তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা। এখনও তেজস্বী তিন বছর কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন। তাহলে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ভোট দিতে পারবেন মানুষ।
তেজস্বী যাদব ২০২০ সালের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে প্রায় জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। আরজেডি একাই ৭৫টি আসনে জয়যুক্ত হন। জোটসঙ্গী কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসন পাওয়ায় তাঁকে ব্যর্থ হতে হয়। বিজেপি-জেডিইউ জোটের সঙ্গে মাত্র ১৫টি আসনের ব্যবধান ছিল। জেডিইউ মাত্র ৪৩টি আসনে জেতার পরও মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন নীতীশ কুমার।












Click it and Unblock the Notifications