Narendra Modi: চাপ বাড়ছে পাকিস্তানের উপর, রাশিয়া সফর বাতিল করে দেশেই থাকছেন মোদী
পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার ঘটনার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বদলা চাইছে ভারতবাসী। মঙ্গলবার থেকে দফায় দফায় সেনা কর্তা এবং নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি গুলির সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন মোদী। এই পরিস্থিতিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আগামীদিনে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক কোন দিকে মোর নেবে তা এখনও নিশ্চিত নয়, তবে পাকিস্তানের উপর চাপ বৃদ্ধি করলেন মোদী। আগামী মাসে রাশিয়া সফর বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ৯ মে রাশিয়াতে বিজয় দিবস পাতিল হয়, সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে ক্রিমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে নরেন্দ্র মোদী মস্কোতে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে আসছেন না।

দিল্লিতে মঙ্গলবার থেকে পর পর বৈঠক করছেন মোদী, বিশেষজ্ঞ মহলের অনুমান প্রত্যাঘাতের ব্লু প্রিন্টই তৈরি করা হচ্ছে। কীভাবে পাকিস্তানকে জবাব দেওয়া যায় সেই নিয়েই সেনা কর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করছেন মোদী। চলতি মাসের শুরুতেই বিদেশ মন্ত্রী এস জয় শঙ্কর নিশ্চিত করেছিলেন আগামী ৯ মে রাশিয়ার বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে মোদী যোগ দেবেন। তবে মোদীর পরিবর্তে রাশিয়ার ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে যোগ দিতে পারেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।
পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার ঘটনার পর থেকেই কূটনৈতিক স্তরে পাকিস্তানে শায়েস্তা করার নীতি নিয়েছে ভারত। আরব সাগরে নৌসেনার মহড়াতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। আতঙ্কে কাঁপছে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে মে মাসে মোদীর দেশে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত কৌতূহল ও আতঙ্কত পাকিস্তানের দ্বিগুণ করেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্বে, ১৯৪৫ সালের ৯ মে তারিখে সোভিয়েট ইউনিয়নের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল জার্মান সেনা। ঐতিহাসিক সেই ঘটনার স্মৃতিতে প্রতি বছরই ৯ মে দিনটি রাশিয়াতে পালিত হয় 'বিজয় দিবস'। এই বিজয় দিবসে রাশিয়াবাসীর জন্য অত্যন্ত গর্বের।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে নরেন্দ্র মোদী শেষবার রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন। সেই সফরে মস্কোয় গিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি।একাধিক বিষয়ে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications