Ram Mandir: রাম মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী নিয়ে গিয়েছিলেন বিশেষ উপহার! জানলে চমকে যাবেন
Ram Mandir: রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদী ছিলেন প্রধান যজমানের ভূমিকায়। কঠোর নিয়ম মেনে ১১ দিন ধরে সংযমে ছিলেন, প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর উপবাস ভঙ্গ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারা পরম সৌভাগ্যের। ১৪০ কোটি দেশবাসীকে নিয়ে রামলালার দর্শন তাঁর জীবনের সেরা অবিস্মরণীয় অনুভূতি। তবে জানেন তি, প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরে নিয়ে গিয়েছিলেন বিশেষ উপহার?

সংযমে থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী রামায়ণ-যোগ থাকা চারটি রাজ্যের বিভিন্ন মন্দিরে পরিক্রমা করেন। অযোধ্যায় শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার ২ দিন আগে তিনি গিয়েছিলেন তিরুচিরাপল্লীর শ্রী রঙ্গনাথ স্বামী মন্দিরে। সেখানে প্রধান পুরোহিত প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন উপহার।
শ্রী রঙ্গনাথ স্বামী মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের কথায়, শ্রী রামচন্দ্রের বংশধর শ্রী রঙ্গনাথ স্বামী। সেই সম্পর্কের কথা মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল দুটি সিল্কের ধুতি, তিনটি শাড়ি এবং বেশ কিছু ফল। সেই উপহারই নরেন্দ্র মোদী অযোধ্যায় রাম মন্দিরে নিয়ে গিয়েছিলেন।
লাল দুপাট্টার উপর রাখা একটি রুপোর ছাতাও উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। তিনি এটি নিয়ে গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন। মাহেন্দ্রক্ষণে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় প্রধানমন্ত্রী আবেগবিহ্বল হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন সেই সময় গর্ভগৃহে উপস্থিত থাকা পুরোহিতরা। মোদী ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে সেই সময় ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।
অযোধ্যা যাওয়ার আগে দক্ষিণ ভারতে রামায়ণ-যোগ থাকা বিভিন্ন মন্দির ও পুণ্যস্থানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার শ্রীরঙ্গমে শ্রী রঙ্গনাথস্বামী মন্দিরে পুজো দেন। ওইদিনই যান রামেশ্বরমে। সেখানে রামনাথস্বামী মন্দিরে পুজো দেন, রামেশ্বরমের অগ্নিতীর্থ বিচে পুণ্যস্নানও সারেন।
বেশতি বা ধুতি, অঙ্গবস্ত্রম হিসেবে শাল পরে মোদী শ্রীরঙ্গমে কাম্বা রামায়ণ পাঠ শোনেন। এই মন্দিরেই হাতির শুঁড়ের মাধ্যমে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন, যা ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ বলে সকলে মানেন। ১২ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে মোদীর এই মন্দির পরিক্রমা সূচনা হয়েছিল। পঞ্চবটীর কলারাম মন্দিরে প্রথম গিয়েছিলেন।
এরপর ১৬ জানুয়ারি তিনি যান অন্ধ্র প্রদেশের লেপাক্ষীতে বীরভদ্র মন্দিরে। ১৭ জানুয়ারি কেরলে শ্রী গুরুবায়ুর ও শ্রী রামস্বামী মন্দিরে যান। ২০ জানুয়ারি গিয়েছিলেন তামিলনাড়ুতে। আরিচল মুনাইয়ে তিনি শ্রী রামচন্দ্রের পূজায় অংশ নেন, প্রার্থনা করার পর যোগেও বসেছিলেন। গিয়েছিলেন ধনুশকোড়ির শ্রী কোথান্দারামস্বামী মন্দিরে।












Click it and Unblock the Notifications