যেখানেই কংগ্রেস সরকার, সেখানেই...! কর্নাটকে ভোটপ্রচারে মোদীর তীব্র আক্রমণের সামনে JDS-ও
ভোটের আর দশদিনও বাকি নেই। সেই পরিস্থিতিতে কর্নাটকে তীব্র গতিতে চলছে রাজনৈতিক প্রচার। এদিন সেখানে সভার পাশাপাশি রোড শো করেন প্রধানমন্ত্রী। কর্নাটকে প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় স্বাভাবিকভাবেই কংগ্রেস এবং জনতা দল সেকুলার।
প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্বকে খোঁচা দিয়েছেন। কর্নাটকের বেলুরে করা নির্বাচনী সভায় প্রধানমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীর জনতাদল সেকুলারকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস ও জেডিএস উভয়েই অস্থিতিশীলতার প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেছেন, দেশে যেখানেই কংগ্রেসের সরকার রয়েছে, সেখানেই তারা অস্থিতিশীলতার নিদর্শন রেখেছেন। তিনি বলেন, রাজস্থান কিংবা ছত্তিশগড়ে কী ঘটছে, তা সবাই জানেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে কংগ্রেস যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা যে সব মিথ্যা সেখানকার মানুষজন বুঝতে পেরেছেন।
জেডিএসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কংগ্রেস নেতারা নিজেদের মধ্যে লড়াই করছেন। অন্যদিকে কংগ্রেসের বি টিম জেডিএস স্বপ্ন দেখছে। তারা ১৫ থেকে ২০ টি আসন নিশ্চিত করে লুটপাটে অংশ নিতে চায় বলে কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী।
নির্বাচনে আলাদা লড়াই করলেও, নির্বাচনের পরে যদি ত্রিশঙ্কু বিধানসভা তৈরি হয়, সেক্ষেত্রে কংগ্রেস ও কুমারস্বামী বিজেপিকে ঠেকাতে জোট বাঁধতে পারেন বলেও জল্পনা। প্রসঙ্গত ২০১৮-তেও বিধানসভা ত্রিশঙ্কু হওয়ায় দুই দল জোট করে। তবে এবার তেমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলে আশাবাদী রাজ্য কংগ্রেস প্রধান ডিকে শিবকুমার এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া।

প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টিও প্রচারে এনেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারে কংগ্রেস ও জেডিএস একে অপরের বিরোধিতা করছে। কিন্তু নির্বাচন শেষ হতেই তাঁর জোট বাঁধবে। দক্ষিণে কর্্নাটক একমাত্র রাজ্য যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে। যে কারণে সেই ক্ষমতা ধরে রাখতে তারা ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার কর্নাটক সফর করছেন কিংবা করবেন। ১০ মে ভোটের আগে দুজনের একের পর এক সভা রয়েছে সেখানে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সংগঠনের শীর্ষ নেতারা প্রচার করছেন কর্নাটকে।
তবে প্রাক নির্বাচনী একাধিক সমীক্ষা বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনী লড়াই বিজেপির পক্ষে বেশ কঠিন। বাসবরাজ বোম্বাইয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুষের একাধিক অভিযোগও রয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি ঠিকাদার ও বিল্ডারদের থেকে ৪০ শতাংশ কমিশন আদায় করছে বলে কংগ্রেস প্রচারে অভিযোগ করেছে।












Click it and Unblock the Notifications