Pawar politics in Maharashtra: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শরদ-অজিত দ্বিতীয় সাক্ষাৎ, কী আলোচনা হল কাকা-ভাইপোর
২৪ ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ হল শরদ ও অজিতের। কী আলোচনা হল কাকা-ভাইপোর, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে। রাত পোহালেই বেঙ্গালুরুতে জোট বৈঠকে বসবে ২৬ দল। তার আগে বিজেপি শিবিরে যোগ দেওয়া অজিত পাওয়ার কেন শরদ-সমীপে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
অজিত পাওয়ার তাঁর কাকা এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেছেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে দ্বিতীয়বার। রবিবার শরদ পাওয়ারের সাথে দেখা করার পরে বিদ্রোহী শিবিরের তরফে দাবি করা হয়, তাঁরা সিনিয়র নেতাকে অনুরোধ করেছেন, যাতে দলটি বিভক্ত না হয়।

এরপর মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার সম্প্রতি মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগদানের জন্য তাঁর কাকা শরদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। তিনি বেশ কিছু অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে এনসিপি প্রধানের সাথে দেখা করলেন ফের। কেন তিনি দ্বিতীয়বার বৈঠকে এলেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে।
শরদ পাওয়ার প্রথম সাক্ষাতের পর দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, তিনি তার প্রগতিশীল রাজনীতি চালিয়ে যাবেন এবং কখনই বিজেপির সঙ্গে জোট করবেন না। ৮২ বছর বয়সী শরদ পাওয়ার জানান, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি-বিরোধী সমস্ত দলকে একত্রিত করতে তিনি উদ্যোগী থাকবেন। এরপর কি ফের তাঁকে বোঝাতেই অজিতের শরদ-স্মরণ।
শরদ পাওয়ারের এনসিপিতে আড়াআড়ি বিভাজন ঘটিয়ে মহারাষ্ট্রে বিজেপি-শিন্ডে জোট সরকারে যোগ দিয়েছিলেন অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন একটি অংশ। সেই বিদ্রোহের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পর পর দুবার শরদ পাওয়ারের বাসভবনে গিয়ে অজিত পাওয়ার সাক্ষাৎ করলেন।
অজিত পাওয়ার এনসিপিতে বিদ্রোহী হলেও শরদ পাওয়ারকে তাঁদের নেতা মানলেন। শরদ পাওয়ারকে নেতা মেনে তিনি জানান, আমাদের নেতা আমাদের কথা শুনেছেন, তবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। এর আগে তিনি শরদ পাওয়ারকে অবসরের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
এনসিপির বিদ্রোহী নেতারা বিজেপির জোট সরকারের যোগ দেওয়ার পর অজিত পাওয়ার অনুগত বিধায়কদের নিয়ে ওয়াইবি চ্যাভান সেন্টে শরদের বাসভবনে বৈঠক করেন। মহারাষ্ট্র বিধানসভার বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
অজিত পাওয়ার একা নন, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন প্রফুল্ল প্যাটেলও ভাইপো অজিত পাওযারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। অজিতের পর তিনিই সবথেকে বেশি আঘাত দিয়েছেন শরদ পাওয়ারকে। তিনিও শরদ পাওয়ারকে অনুরোধ করেছিলেন, আমরা সবাই আপনাকে সম্মান করি। বলেন, এনসিপির একসাথে থাকা উচিত।












Click it and Unblock the Notifications