Pahalgam: পহেলগাঁওয়ে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানি জঙ্গিরাই, কাশ্মীর থেকে দুই আশ্রয়দাতাকে ধরল এনআইএ
জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে নৃশংস জঙ্গি হামলার পিছনে রয়েছে পাকিস্তানি জঙ্গিরাই। পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল এনআইএ। এই হামলায় পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার যোগ প্রমাণিত হয়েছে। এবং দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়েছিল।
এনআইএ জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া সন্দেহভাজনদের নাম পারভেজ আহমেদ জোথার এবং বশির আহমেদ জোথার। দুজনেই পহেলগাঁওয়ের বাসিন্দা। এই দুজন এপ্রিল মাসের ২২ তারিখে হওয়া পহেলগাঁও হামলার মূল চক্রী তিন পাকিস্তানি লস্কর জঙ্গিকে আশ্রয়, খাবার এবং অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছিল। এনআইএ-র প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই জঙ্গিরা হিল পার্ক এলাকার একটি কুঁড়েঘরে লুকিয়ে ছিল হামলার আগে।

জিজ্ঞাসাবাদে পারভেজ এবং বশির হামলাকারী জঙ্গিদের পরিচয় প্রকাশ করেছে এবং নিশ্চিত করেছে যে তারা পাকিস্তানি নাগরিক। এনআইএ আরও জানিয়েছে যে, জঙ্গিরা পরিকল্পিতভাবে বৈসরন উপত্যকায় পর্যটকদের ধর্মীয় পরিচয় যাচাই করে তাদের হত্যা করেছিল। ফলে ধর্ম জিজ্ঞাসা করে হত্যা করা হয়েছে নাকি হয়নি বলে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, এই সন্দেহভাজন সাহায্যকারীরা ধরা পড়ার পরে সেই বিতর্ক থেমে গেল। অর্থাৎ ধর্ম জিজ্ঞাসা করেই পহেলগাঁওয়ে নিরীহ পর্যটকদের হত্যা করা হয়েছিল।
এই দুজন সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, ১৯৬৭-এর ধারা ১৯-এর অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আরও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ।
প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় পাকিস্তান-মদদপুষ্ট জঙ্গিদের গুলিতে ২৬ জন নিরীহ পর্যটক নিহত এবং আরও ১৬ জন আহত হন। এই হামলা ভারত জুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। ভারত সরকারও এরপরে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করে। এবং পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটিতে আক্রমণ করে তা তছনছ করে দেয়। পরে পাকিস্তান ভারতে হামলা চালাতে গেলে ফের ভারত কড়া জবাব দেয়। উপায় না দেখে দিন কয়েক পরে ভারতের হাতেপায়ে ধরে পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলে নরেন্দ্র মোদী সরকার তা মেনে নেয়।












Click it and Unblock the Notifications