Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Pahalgam Horror: ধর্মীয় পরিচয় নিশ্চিত করে পরপর হত্যা! পহেলগাঁও-তে সন্ত্রাসের ঘুঁটি সাজানোই ছিল জঙ্গিদের

Pahalgam Horror: ২২ এপ্রিল, মঙ্গলবার, দুপুর আড়াইটে। কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁওতে মিনি সুইৎজারল্যান্ড নামে খ্যাত বৈসরন উপত্যকায় নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন পর্যটকরা। এক লহমায় যে সেই মুহূর্ত পাল্টে গিয়ে বিভীষিকা দেখতে হবে, ভাবেননি কেউ। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বেছে বেছে গুলি চালিয়ে খুন করা হল পর্যটকদের।

প্রত্যক্ষদর্শীদের যে বয়ান উঠে এসেছে, তাতে মেরুদণ্ড দিয়ে ঠাণ্ডা স্রোত বয়ে যাবে। তাদের দাবি, সম্পূর্ণ পরিকল্পনা করে ধর্মীয় গণহত্যা ঘটানো হয়েছে বৈসরনে। প্রথমে পরিচয়পত্র চায় জঙ্গিরা। তা দেখে ধর্মীয় পরিচয় অনুযায়ী পর্যটকদের আলাদা করে দেওয়া হয়। মধ্যযুগীয় বর্বরের মতো নগ্ন হতে বাধ্য করা হয় পুরুষ পর্যটকদের।

PAHALGAM

সেইমতো ধর্মীয় পরিচয় অনুধাবন করে এরপর হিন্দুদের আলাদা করে দেওয়া হয় বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। এরপর তাদের 'কালেমা' (ইসলামিক মৌলবাদের পংক্তি) পাঠ করতে বলা হয়। যারা পারেননি তাদের গুলি করে সেখানেই মেরে ফেলে জঙ্গিরা। হিন্দুদের আলাদা করে খুন করার জন্য প্রত্যেকটা ঘুঁটি সাজানোই ছিল বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।

গোটা ঘটনা নেহাতই কেবল জঙ্গি হামলা নয়, বরং এক বরিষ্ট বিজেপি নেতার মতে, পহেলগাঁওতে যা ঘটেছে তা হল মৌলবাদের আদর্শের নামে জেহাদি সন্ত্রাস। ভারতের ধর্ম ও সংস্কৃতির উপর দীর্ঘদিনের আক্রোশের পরিণতি এই ঘটনা বলে দাবি তাঁর। ২৬ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন পহেলগাঁওয়ের ঘটনায়। সকলেই নিরস্ত্র ছিলেন। শান্তির সন্ধানে ভূস্বর্গে গিয়ে তাদের ফিরতে হয়ে সন্ত্রাসের শিকার হয়ে। মৃতদের অপরাধ ছিল একটাই, তারা হিন্দু।

আচমকা কিছুই হয়নি। বরং যা হয়েছে, পরিকল্পনামাফিক। অন্য ধর্মের লোকজনদের ধরে ধরে সাফ করার নির্মম প্রয়াস চালানো হয়েছে পহেলগাঁওতে। পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর গভীর অভিসন্ধির সঙ্গে মিলে যাচ্ছে পহেলগাঁওয়ের ঘটনা। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দাবি, হামলার উদ্দেশ্য একেবারে স্পষ্ট। প্রথমে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি করা, এরপর ধর্মীয় আদর্শের ভিত্তিতে রক্তারক্তি ঘটানো এবং সবশেষে দেশের সবচেয়ে উপদ্রুত অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা।

Take a Poll

শুধু কাশ্মীর নয়, এই মৌলবাদ কায়েমের ভাবাবেগ রয়েছে অন্যত্রও। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ঘটনা থেকে নাগপুরের দাঙ্গা, পরপর জেহাদি সন্ত্রাস দেখেছে ভারত। এই উগ্রপন্থীদের কাছে মন্দির মানেই তা উসকানির পীঠস্থান। তাদের কাছে হিন্দু নিধন মানে অপরাধ নয়, বরং ঐশ্বরিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা। আর এরপরে বিশ্বব্যাপী যে সস্তা ন্যারেটিভের প্রচার হয় তা হল, "সন্ত্রাসের কোনও নাকি ধর্ম নেই।"

বিজেপির অপর এক মুখপাত্রের দাবি, "যখনই এধরনের সন্ত্রাসকে জেহাদি আক্রমণ বলা হয়েছে, তখনই আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সেঁটে দেওয়া হয়েছে। এটা আদতে নীতি হীনতার পরিচয়। সমাজের পক্ষে তা ক্ষতিকারক। এধরনের মন্তব্য জঙ্গিদের আরও সাহস জোগায়। এধরনের মন্তব্যে হতাহতদের ভুলে গিয়ে বরং খুনিদেরই কৃতকর্মে বাড়তি অক্সিজেন জোগায়।"

তবে এবারে আর চুপ করে বসে থাকবে না ভারত। আর তোষণ নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে আজকের ভারত আর শুধু সন্ত্রাসের নিন্দা নয়, এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। পহেলগাঁওতে হামলার পরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাওয়া ও সশরীরে যাবতীয় পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখাতেই স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে গিয়েছে সন্ত্রাসে মদতদাতাদের কাছে। প্রধানমন্ত্রীও প্রত্যেক হামলাকারী ও ষড়যন্ত্রীকে খুঁজে বের করে কল্পনাতীত শাস্তির কথা বলেছেন। তাই একটা জিনিস স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, যারা আমাদের মানুষকে মারবে, তাদেরও ঘুম উড়িয়ে দেবে নতুন ভারত। সাংবাদিক বৈঠকে নয়, বিচার হবে সরাসরি অ্যাকশনে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+