Oppositions Meet: ৪৫০ আসনে একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থীর ফর্মুলা! সহমত হবে কংগ্রেস-তৃণমূল-আপ
Oppositions Meet: বিজেপির বিরুদ্ধে এককাট্টা হয়ে ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে লড়তে চাইছে বিরোধী দলগুলি। কিন্তু সত্যিই কি একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী দিয়ে লড়াই সম্ভব। শুক্রবার পাটনায় তা নিয়েই মূলত আলোচনায় বসছে বিরোধী দলগুলি। এই বৈঠকে জোটের রণকৌশল ঠিক করাই লক্ষ্য।
সূত্রের খবর, বিরোধীরা ৪৫০ আসনকে টার্গেট করে একের বিরুদ্ধে এক লড়াইয়ের ফর্মুলা তৈরি করতে চলেছে। এই ফর্মুলা কীভাবে বাস্তবায়িত করা যায়, তা নিয়েই কংগ্রেস, তৃণমূল-সব বিভিন্ন বিরোধী দল আলোচনা করবে। এই প্রস্তাব কি সব দল মেনে নিতে পারবে? মূল সমস্যা কংগ্রেস, তৃণমূল ও আম আদমি পার্টির। খানিকটা বামেদেরও সমস্যা।

বেশিরভাগ রাজ্যেই বিজেপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস। যেমন কর্নাটক থেকে শুরু করে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, গুজরাত, হরিয়ানা নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হবে না, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, বিহার, ঝাড়খণ্ড নিয়েও। কেরল নিয়েও বামেদের সঙ্গে তেমন কোনো সমস্যা হবে না।
আর বড়ো রাজ্যগুলির মধ্যে উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা নিয়েও জোটে জট পাকানোর কিছু নেই। মূল সমস্যা পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, পাঞ্জাব নিয়ে। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূল এবং পাঞ্জাব ও দিল্লিতে কংগ্রেসের সঙ্গে আপের কী সমীকরণ দাঁড়াবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে সঙ্কট।
মূলত তিন দলের মধ্যেই ঠিক করতে হবে সমঝোতা। বাকিদের মধ্যে সমস্যা নেই বা সমস্যা কম। কংগ্রেস, তৃণমূল ও আম আদমি পার্টি কোন্দল মিটিয়ে জোটের জন্য স্বার্থ্যত্যাগে এগিয়ে এলে আর তেমন কোনো সমস্যা থাকবে না। এখন দেখার পাটনার বৈঠকে সেই গোল মেটে কি না। তাহলেই ২০২৪-এর লক্ষ্যে তরতরিয়ে এগিয়ে যাবে জোটের রথ।

নীতিশ কুমারের ডাকে বিহারের রাজধানী পাটনায় সেই বৈঠকে মুখোমুখি হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাহুল গান্ধী। থাকেবন আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এই বৈঠকে সর্বসমক্ষে কীভাবে নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করতে সম্মত হন তাঁরা তার উপর নির্ভর করবে জোটের ভবিষ্যৎ।
বিজেপির বিরুদ্ধে কোন কৌশল অবলম্বন করবেন বিরোধীরা, তা নিয়েই যেহেতু মূল আলোচনা আর সেখানে প্রস্তাব যেহেতু ৪৫০ আসনে একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী, তা বাস্তবায়িত করাই সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বলে আসছেন, যে রাজ্যে যার ক্ষমতা বেশি, সেই রাজ্যে সেই দল প্রার্থী দেবে, এই সূত্র মিলবে না সমীকরণ।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কংগ্রেস সমস্ত রাজ্যে রয়েছে, বাংলাতেও রয়েছে, দিল্লি-পাঞ্জাবেও রয়েছে। সেখানে যদি কংগ্রেসে প্রতীক না থাকে, তা মেনে নেবে না জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। তিনরাজ্যে কংগ্রেসকে আসন ছাড়তে হবে, তবেই সম্ভব জোট। তার বিপরীতে অন্য। কোনো রাজ্যে তৃণমূল বা আপকে আসন ছাড়া যায় কি না, সেটাও ভেবে দেখতে হবে কংগ্রেসকে। এখন এই অবস্থানেই আটকে জোটের ভবিষ্যৎ।












Click it and Unblock the Notifications