অপারেশন লোটাসকে ছাড়িয়ে যাবে অপারেশন লণ্ঠন! RJD-র দাবি ঘিরে বিহারে বাড়ছে রাজনীতির পারদ, পাল্টা তৈরি NDAও
সোমবার বিহারে ফ্লোর টেস্ট। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সংখ্যাগরিষ্ঠতার পরীক্ষা। তার আগে আরজেডি ও জেডিইউ শিবিরে চলছে নৈশভোজের রাজনীতি। এদিন বিকেলে নীতীশ কুমার সরকারের মন্ত্রী বিজয় চৌধুরীর বাড়িতে জেডিইউ বিধানসভা দলের বৈঠক রয়েছে। বৈঠকের পরে সেখানে বিধায়কদের নিয়ে নৈশভোজ রয়েছে। সেখানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও।
অন্যদিকে, আরজেডি নেতা তথা প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের বাড়িতে বিধায়কদের ক্যাম্প। সেখানে আরজেডি নেতা মৃত্যুঞ্জয় তিওয়ারি সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, তাদের সব বিধায়র একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সরকার ২৪ ঘন্টার অতিথি বলেও দাবি করেছেন তিনি। এই নেতার আরও দাবি অপারেশন লণ্ঠন অপারেশন লোটাসকেও ছাপিয়ে যাবে।

নীতীশ কুমার তাঁর দলের বিধায়কদের একসঙ্গে রাখতে চেষ্টার কসুর করছেন না। শনিবার মন্ত্রী শ্রাবণ কুমারের বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জেডিইউ-এর ৪৫ জন বিধায়কের মধ্যে ৩৯ জন উপস্থিত ছিলেন। যে ছয় বিধায়ক সেখানে যাননি, তাঁদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেডিইউ। তাঁরা সবাই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছেন বলে জানিয়েছে জেডিইউ। অন্যদিকে তাদের আরও দাবি, এদিন সবাই মন্ত্রী বিজয় চৌধুরীর বাড়িতে হাজির থাকবেন।
এদিকে, বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সিনহা আরজেডির খেলা হোগা দাবির প্রেক্ষিতে বলেছেন, ওরা ভয় পেয়েছে। কেননা তারা জানে, তাদের বিধায়করা যে কোনও সময় তাদের ছেড়ে যেতে পারেন। বিধায়করা পরিবারবাদী এবং দুর্নীতির রাজনীতিতে বিরক্ত। তিনি আরও বলেছেন, বিধায়কদের জোর করে আটকে রাখা গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।
অন্যদিকে, ফ্লোর টেস্টের আগে বিহারের রাজ্যপাল তার আইনি উপদেষ্টা বদল করেছেন। এব্যাপারে রাজভবনের সচিবালয় একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
১২ ফেব্রুয়ারির ফ্লোর টেস্টের জন্য জেডিইউ এবং আরজেডি তাদের বিধায়কদের উদ্দেশে হুইপ জারি করেছে। বিজেপির বিধায়করা রাতের মধ্যে বৌদ্ধগয়া থেকে পটনায় আসবেন বলে জানা গিয়েছে। আবার কংগ্রেসের ১৯ জন বিধায়কের মধ্যে ১৬ জন এদিন সন্ধের মধ্যে হায়দরাবাদ থেকে পটনায় পৌঁছবেন বলে জানা গিয়েছে। তারপর তাঁদের নিয়ে যাওয়ার হবে তেজস্বী যাদবের বাড়িতে। সেখানে নৌশভোজের পরে রাতে সেখানেই থাকবেন তাঁরা।
এদিকে, সোমবারের ফ্লোর টেস্ট প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পশুপতি কুমার পারস বলেছেন, যে খেলা হওয়ার কথা ছিল তা হয়ে গিয়েছে। এখন আর কোনও খেলা বাকি নেই। আরজেডির লোকজন ভয় পাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। আরজেডি তাদের সব বিধায়কের মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications