কংগ্রেস বিধায়করা বিজেপির হয়ে কাজ করবেন! রাজ্যসভা ভোটের আগে নতুন রূপে 'অপারেশন কমল'
মোদী-শাহর রাজ্য গুজরাত। আর সেখান থেকে রাজ্যসভায় স্থান পাবেন কংগ্রেসের সদস্য! তা কি কখনও বিজেপি হতে দিতে পারত? জবাবটা স্বভাবতই 'না'। আর তাই রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসকে ভাঙতে উদ্যত হয়েছে পদ্ম শিবির। রাজ্যসভায় গুজরাত থেকে যেই তিনটি আসন, সেই তিনটিতেই নিজেদের প্রার্থী জিতিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিজেপি। আর সেই লক্ষ্যে কাজও চলছে।

গুজরাত বিধানসভার সমীকরণ
গুজরাত বিধানসভায় বিজেপির যা শক্তি তাতে ২ প্রার্থীকে তারা জিতিয়ে আনতে পারবে। কিন্তু বিজেপির তরফ থেকে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন পেশ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন অভয় ভরদ্বাজ, রমিলা বারা এবং নরহরি আমিন। তৃতীয় প্রার্থীকে জেতাতে বিরোধী পক্ষের ভোট জরুরি বিজেপির। একটি মাত্র আসনের জন্য কংগ্রেস প্রার্থী ভরতসিন সোলাঙ্কি। এদিকে ৪ কংগ্রেসের বিধায়কদের ইস্তফাতে প্রয়োজনীয় ভোটের সমাকরণও বদলে যাচ্ছে, যাতে আরও চাপে পড়েছে কংগ্রেস।

গুজরাতে চাপে কংগ্রেস
এদিকে কংগ্রেসকে আরও চাপে ফেলে গুজরাতের উপ-মুখ্যমন্ত্রী নীতিন প্যাটেলের দাবি, 'আমি তো জানি যে আরও অনেক কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা পত্র জমা দেওয়ার জন্য তৈরি রয়েছেন। এরপর সেই বিধায়করা যদি আমাদের দলে যোগ দিতে চান আমরা তাঁদের স্বাগত জানাব। আপাতত আমরা শুধু পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।'

বিজেপির পক্ষে কংগ্রেসের 'ক্রস ভোট'!
এদিকে গুজরাত বিজেপির সভাপতি জিতু ভাগানি দাবি করেন, 'রাজ্যসভার ভোট চলাকালীন কংগ্রেসের বহু বিধায়ক বিজেপ প্রার্থীর হয়ে ভোট দেবেন। আমাদের দলের তিনজন প্রার্থীই অতি সহজে জয়লাভ করবেন।'

কংগ্রেসে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত
এই বিষয়ে নীতিনও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেন, 'গুজরাত কংগ্রেসে শুধু গুটিকয়েক নেতার কথাই চলে। তাঁদের কথা মেনেই বাকিদের চলতে হয়। ওই দলের কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নেই। দিল্লিতে বসা নেতাদের কথা গুজরাতের নেতারা শোনেন না। বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায় রাজ্যসভার প্রার্থী নির্বাচনের সময়েই। এছাড়া দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব সবারই জানা। এদিকে কংগ্রেস বিধায়কদের অনেকেই বিজেপির কাজে সন্তুষ্ট। যারা আমাদের দলে যোগ দিতে চান তাঁদের দল স্বাগত জানাবে।'












Click it and Unblock the Notifications