ডেল্টার সঙ্গে ফারাক করা কঠিন, ওমিক্রন উপসর্গ ধন্ধে ফেলছে চিকিৎসকদের
ডেল্টার সঙ্গে ফারাক করা কঠিন, ওমিক্রন উপসর্গ ধন্ধে ফেলছে চিকিৎসকদের
চিকিৎসকদের বোকা বানাচ্ছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। ডেল্টার সঙ্গে উপসর্গ আলাদা করা যাচ্ছে না। এমনই দাবি করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকরা। তাঁরা জানিেয়ছেন ডেল্টায় যেমন মাথাধরা, গা ব্যাথা, হাল্কা জ্বর যেমন থাকে তেমনই ওমিক্রন সংক্রমণেও একই উপসর্গ দেখা দিয়েছে। কাজেই সহজে আলাদা করা যাচ্ছে না এটা ডেল্টা না ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ। এতে নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখছেন গবেষকরা।

ওমিক্রন সংক্রমণের উপসর্গ কী
করোনা আক্রান্ত হলে সাধারণত প্রবল জ্বর আসে। শরীরের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। ওমিক্রনের ক্ষেত্রে সেটা হচ্ছে না। সাধারণ ফ্লু-র মতই হালকা জ্বর থাকছে শরীরে। তার সঙ্গে থাকছে প্রবল মাথা ব্যাথা। গায়ে ব্যাথা এবং ক্লান্তি ভাব। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণেও কম বেশি এই ধরনের উপসর্গই দেখা যায়। যদি সেটা মারাত্মক না হয়। ভাইরাল লোড মারাত্মক বেশি হলে শ্বাসকষ্ট হওয়ার প্রবণতা থাকে ডেল্টার ক্ষেত্রে কিন্তু সাধারণ ভাবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের কোনও ফারাক দেখা যায়নি।

কী বলছেন দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকরা
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ প্রকাশ্যে আসার পরেই দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকরা দাবি করেছিলেন উপসর্গ ভীষণই কম দেখা দিচ্ছে অর্থাৎ যাকে উপসর্গ নেই বললেই ভাল হয়। নাক দিয়ে দল পড়া, গলা ব্যাথা, প্রবল কাশি সব কোনওটাই দেখা দিচ্ছে না ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে। তবে মাথা ব্যাথা এবং গায়ে ব্যাথাটা একটু বেশি হচ্ছে। কিন্তু অতটাও বেশি নয় যে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। বাড়িতে রেখেই এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের চিকিৎসা সম্ভব বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকরা।

শিশুদের উপর প্রভাব কতটা
ওমিক্রন সংক্রমিত হচ্ছে শিশুরাও। দক্ষিণ আফ্রিকার হাসপাতালে একাধিক ওমিক্রন আক্রান্ত শিশু রয়েছে। চিকিৎসকরা আগেই জানিয়েছিলেন যে ৫ বছরের নীচে শিশুদের ওমিক্রন সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তবে সেটা মারাত্মক কোনও ক্ষতি করছে না। যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে তাঁদের অন্য সমস্যা থাকছে। ওমিক্রন পজিটিভ হওয়ার জন্যই যে তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে এমন নয়।

ওমিক্রনের থেকে বেশি ভয়ঙ্কর ডেল্টা
ওমিক্রনকে কোনও ভাবেই যেন হালকা ভাবে নেওয়া না হয় এই নিয়ে গোটা বিশ্বকে সতর্ক করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকরা দাবি করেছেন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর। ডেল্টার মারণ ক্ষমতা বেশি। ওমিক্রনের তেমন মারণ ক্ষমতা নেই। এখনও পর্যন্ত এই ওমিক্রন সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা নগন্য বললেই চলে। ডেল্টার মারণ ক্ষমতা এর থেকে অনেক বেশি। এবং ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট অনেক বেশি ক্ষতিকর বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকরা।












Click it and Unblock the Notifications