রাস্তা আটকে আন্দোলন নয়, অবস্থান জানাতে প্রতিবাদী কৃষকদের ৩ সপ্তাহের সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট
রাস্তা আটকে আন্দোলন নয়! প্রতিবাদী কৃষকদের ৩ সপ্তাহের সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট
চলমান কৃষক আন্দোলনের আবহেই এবার বড় রায় দিতে দেখা গেল সুপ্রিম কোর্টকে। এদিকে কেন্দ্রের তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে এক বছরেরও কাছাকাছি সময় ধরে দিল্লির সীমানায় কৃষকদের অবস্থান বিক্ষোভ জারি রয়েছে। অবরুদ্ধ হয়েছে রয়েছে টিকরি, সিঙ্ঘু সহ একাধিক বর্ডার। এদিকে চলতি বছরের নভেম্বরেই চলমান কৃষক আন্দোলন ১ বছরে পা দেবে।

সুপ্রিম কোর্টের দায়ের জনস্বার্থ মামলা
এদিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই বিক্ষোভ কর্মসূচি চলতে থাকায় ওই এলাকার বাসিন্দাদের ঘোরতর সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি নয়ডার এক বাসিন্দা কৃষকদের একটানা অবস্থান বিক্ষোভ তোলার জন্য সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। সেই মামলার শুনানিতেই এবার কৃষক আন্দোলন নিয়ে বড় রায় দিতে দেখা গেল সুপ্রিম কোর্টকে।

প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে কৃষকদের
সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ 'কৃষকদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। তবে অনির্দিষ্টকালের জন্য রাস্তা আটকে রেখে তাঁরা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে পারেন না।' এর আগে অগস্টেও একটি মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ দেয়, 'রাস্তা আটকে কোনও আন্দোলন করা যাবে না। তাতে আমজনতার সমস্যা হবে।' এদিকে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী ৭ ডিসেম্বর।

তীব্র প্রতিক্রিয়া গোটা দেশেই
অন্যদিকে পর্যবেক্ষণ জানানোর পাপাশাপাশি নিজেদের অবস্থান জানাতে আন্দোলনরত কৃষকদের তিন সপ্তাহের সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতের তরফে। রায় দিতে গিয়েই সু্প্রিম কোর্টের বিচারপতিদের স্পষ্ট দাবি, "সমস্যা সমাধানের সূত্র এখান থেকেই খুঁজতে হবে। সমস্ত কৃষকদেরই আন্দোলনের অধিকার রয়েছে তা আমরা মানছি। কিন্তু সবকিছুর আইনি জটিলতাও রয়েছে। তাই রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন ঠিক নয়।" এদিকে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর ফের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে গোটা দেশজুড়েই।

দিনের পর দিন জাতীয় সড়ক বন্ধ করে রাখার কী মানে?
একই সুর শোনা যায় বিচারপতি কৌলর গলাতেও। তাঁরও স্পষ্ট প্রশ্ন, "সমস্যার সমাধান আইনি পথে ঘটতে পারে। আন্দোলন বা সংসদীয় বিতর্কের মাধ্যমেও তা হতে পারে। কিন্তু কীভাবে দিনের পর দিন জাতীয় সড়ক বন্ধ করে রাখার কী মানে?" প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কৃষ আন্দোলনের আবহে বারেবারেই উত্তপ্ত হয়েছে দিল্লি তথা দেশের রাজ্য-রাজনীতি। কয়েকদিন আগেই আন্দোলন চলাকালীন উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরে কৃষক মৃত্যুর জেরে অনেকটাই চাপে পড়ে কেন্দ্র। যে উত্তেজনা আজও অব্যাহত রয়েছে।
খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia












Click it and Unblock the Notifications