Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Nitish Kumar: বিহারে মুখ্যমন্ত্রী বদলের ছক কষে কোপে লালন! তেজস্বীদের স্বপ্ন ধুলোয় মিশিয়ে সরকার বাঁচালেন নীতীশ

Nitish Kumar: জনতা দল ইউনাইটেডের আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সভা ছিল। সেখানে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন লালন সিং। এরপরই ওই পদে আসীন হন নীতীশ কুমার।

লোকসভা ভোটের এই বদল আপাতদৃষ্টিতে তেমন উল্লেখযোগ্য মনে না হলেও, এই সিদ্ধান্তের পিছনে কাজ করেছে এক বিরাট কারণ। জেডিইউতে থেকেই বিহারে মুখ্যমন্ত্রী বদলের ছক লালন কষছিলেন বলে দাবি করেছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

 Nitish Kumar: বিহারে মুখ্যমন্ত্রী বদলের ছক কষে কোপে লালন!

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ, গত কয়েক মাস ধরেই লালনকে দলের সভাপতি পদ থেকে সরানোর পরিকল্পনা করছিলেন নীতীশ। তার বড় কারণ লালন সম্পর্কে বেশ কিছু বিষয় তাঁর কানে আসছিল। কিন্তু তাতে প্রথমদিকে আমল দেননি নীতীশ। লালনও নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বড় ছক কষা শুরু করেন।

লালনের সঙ্গে যে লালুপ্রসাদ যাদবের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন নীতীশ। এরই মধ্যে লালন নীতীশকে প্রস্তাব দেন, ১৮ বছরের বেশি মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর এবার ইস্তফা দিন নীতীশ। উপ মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী করা হোক। এই প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে দেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

তাতে দমেননি লালন। তিনি ১০-১২ জন বিধায়ককে নিয়ে গোপনে তেজস্বীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন। যাতে বলা হয়, জে়ডিইউ-র এই বিধায়করা তেজস্বীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চাইবেন। এপ্রিলে আরজেডির রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ ঝা-র মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর জায়গায় লালনকে রাজ্যসভায় পাঠানোর প্রস্তাব যায় আরজেডির কাছে।

২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় আরজেডির রয়েছে ৭৯টি আসন, জেডিইউ-র ৪৫টি, কংগ্রেসের ১৯টি, সিপিআইএমএলের ১২টি, সিপিআই ও সিপিআইএমের ২টি করে এবং নির্দলের ১টি আসন রয়েছে। এই অবস্থায় ১০-১২ জন জেডিইউ বিধায়ককে ম্যানেজ করে ফেলতে পারলে মুখ্যমন্ত্রী হতে তেজস্বীর খুব বেশি বেগ পেতে হবে না বলেই মনে করছিলেন লালনরা। কেন না, জেডিইউ-র সমর্থন ছাড়া সরকার গড়তে তেজস্বীর দরকার হবে ৭ বিধায়ক।

তবে মুখ্যমন্ত্রী বদলের রণকৌশল নির্ধারণে চিন্তার কারণ হয় দলত্যাগবিরোধী আইন। বিকল্পও প্রস্তুত ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনও দলের সভাপতি দলের বিধায়কদের বহিষ্কার করেন তাহলে ওই জনপ্রতিনিধিদের বিধায়ক পদ খারিজ হয় না। সেক্ষেত্রে লালন সভাপতি থেকে জেডিইউ বিধায়কদের বহিষ্কার করলেই তাঁরা তেজস্বীর মন্ত্রিসভায় শপথ নেবেন, এমন ভাবনাও চলছিল।

এ ক্ষেত্রে বিধানসভার অধ্যক্ষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়। বিহার বিধানসভায় অধ্যক্ষ অবোধ বিহারী চৌধুরী আরজেডির বিধায়ক। ফলে পথ ছিল কণ্টকহীন। এই আবহে তেজস্বী ও লালন মিলে বেশ মোক্ষম পরিকল্পনাই করছিলেন। ঠিক ছিল, অধ্যক্ষ বহিষ্কৃত বিধায়কদের স্বীকৃতি দেবেন, তারপরই গঠিত হবে নয়া সরকার।

এ সব জেনে আর ঝুঁকি নেননি নীতীশ। তিনি শুরু করে দেন অপারেশন লালন। যার শেষ অঙ্ক আজ মঞ্চস্থ হলো লালনের পদত্যাগে। এই ঘটনা আসন্ন লোকসভা ভোটে কেমন ও কতটা প্রভাব ফেলে সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। কেন না, ইন্ডিয়া জোটে যেমন নীতীশের জেডিইউ রয়েছে, তেমনই রয়েছে আরজেডিও।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+