লালকেল্লায় বিস্ফোরণ আত্মঘাতী হামলাই, গাড়িতে আইইডি বোঝাই করেই হয়েছিল নাশকতা, আর কী উঠে এল এনআইএ তদন্তে
এনআইএ নিশ্চিত করেছে যে লালকেল্লায় হওয়া বিস্ফোরণ একটি ভেহিকল-বেসড ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (ভিবিআইইডি) ব্যবহার করে ঘটানো হয়েছে। এর চালক ছিল আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী উমর উন নবী।
এনআইএ জানিয়েছে, উমর উন নবীর সহযোগী আমির রশিদ আলিকে গ্রেফতার করার পর জেরা করে তারা এই মামলার তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি পেয়েছে। আমিরের বিরুদ্ধে বোমা হামলাকারীর সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে এই হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ১০ নভেম্বরের সেই হামলায় ১৩ জন নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

আরও জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়িটি আমিরের নামেই রেজিস্টার্ড ছিল। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গাড়িটিকে ভিবিআইইডি-তে রূপান্তরের আগে আমির নিজেই এটি কেনার জন্য দিল্লি এসেছিল।
ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিহত চালকের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। সে হল উমর উন নবী, যে ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনারেল মেডিসিন বিভাগের একজন সহকারী অধ্যাপক ছিল এবং পুলওয়ামা জেলার বাসিন্দা। এনআইএ নবীর আরেকটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছে, যা বর্তমানে প্রমাণের জন্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।
এদিকে, এনআইএ চার ব্যক্তিকে মুক্তি দিয়েছে, যাদের মধ্যে তিন চিকিৎসকও রয়েছেন। তাদের দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণের সঙ্গে সম্পর্কিত সন্দেহে আটক করা হয়েছিল। তবে, তদন্তে মূল অভিযুক্ত উমর উন নবীর সঙ্গে তাদের কোনও সুনির্দিষ্ট যোগসূত্র পাওয়া যায়নি বলে আধিকারিকেরা জানিয়েছেন।
এনআইএ এই পর্যন্ত ৭৩ জন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, যার মধ্যে আহতদের অনেকেই রয়েছেন। এই তদন্তে দিল্লি পুলিশ, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, হরিয়ানা পুলিশ, উত্তর প্রদেশ পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলির সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করা হচ্ছে। এই হামলার পিছনের বৃহত্তর ষড়যন্ত্র এবং জড়িত সকল ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার জন্য একাধিক রাজ্যে তদন্ত চলছে।












Click it and Unblock the Notifications