দুর্নীতি নয়, বেকারত্ব ইস্যুই কর্নাটক নির্বাচনে খেলা ঘোরাতে পারে! ইঙ্গিত NDTV-CSDS সমীক্ষা-
সামনেই কর্নাটক (Karnataka Assembly Elections 2023) নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনকে মাথায় রেখে সর্বশক্তি দিয়ে একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি, কংগ্রেস এবং জেডিএস। এবার স্থানীয় স্তরে একাধিক ইস্যু রয়েছে যা খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারো! তবে মোদী ম্যাজিকের উপর ভরসা রাখছে বিজেপি।
এই অবস্থায় কর্নাটক বিধানসভা নিয়ে সম্প্রতি NDTV লোকনীতি সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ ডেভালোপমেন্ট সোসাইটি অর্থাৎ CSDS -এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। যাতে বোঝা যায় যে আগামী ১০ মে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন কোনও কোনও বিষয়গুলির উপর হতে চলেছে।

NDTV-CSDS ২০ থেকে ২৮ এপ্রিলে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে এই সমীক্ষা চালায়। আগামী ১০ মে ভোট হতে চলেছে। ফল প্রকাশ হবে আগামী ১৩ মে। কিন্তু কি বলছে NDTV-CSDS সমীক্ষা-
বেকারত্ব সবথেকে বড় ইস্যু-
NDTV-CSDS সমীক্ষা বলছে সে রাজ্যের ২৮ শতাংশ লোক মনে করেন যে বেকারত্ব এবার নির্বাচনে সবথেকে বড় ইস্যু। বেকারত্বের পরেই দারিদ্রতা অন্যতম ইস্যু হতে চলেছে। সমীক্ষাতে যোগ দেওয়া অন্তত ২৫ শতাংশ মানুষ রাজ্যের দারিদ্রতাকে অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন। তরুণ ভোটারদের জন্য বেকারত্ব একটি বড় সমস্যা।
অন্যদিকে গ্রামীণ কর্নাটকের মানুষের কাছে গরিবী অন্যতম ইস্যু বলে সমীক্ষাতে ঊঠে এসেছে। অন্যদিকে সমীক্ষাতে অংশ নেওয়া অন্তত ৬৭ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন যে গত পাঁচ বছরে তাদের এলাকায় জিনিসপত্রের দাম (মূল্যস্ফীতি) বেড়েছে।
দুর্নীতি ইস্যুতে কি বলছে কর্নাটকের মানুষ

সমীক্ষাতে ৫১ শতাংশ মানুষ মনে করছেন যে পাঁচ বছরে দুর্নীতি অনেকটাই বেড়েছে। যেখানে ৩৫ শতাংশ মানুষ বলছেন, দুর্নীতি আগের মতোই রয়েছে। বিজেপি সমর্থকদের ৪১ শতাংশ বলছে যে ২০১৯ আগের নির্বাচনের পর থেকে দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংরক্ষন ইস্যুতে কি বলছে কর্নাটকের মানুষ
NDTV-এর এই সমীক্ষাতে সে রাজ্যের মানুষকে সংখ্যালঘুদের ৪% সংরক্ষণ বাতিল করা এবং লিঙ্গায়াত, ভোক্কালিগাদের জন্য নতুন কোটা চালু করার করার ক্ষেত্রে বিজেপি সরকারকে নম্বর দিতে বলা হয়। আর তাতে দেখা গিয়েছে মাত্র এক তৃতীয়াংশ মানুষই নতুন সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়ে সচেতন।
সমীক্ষা অনুযায়ী, নতুন কোটার পক্ষে বিজেপিরই একটা বড় অংশ। বিরোধীতা যারা করছেন বড় অংশ কংগ্রেসের বলেও সমীক্ষাতে দেখা গিয়েছে।
টিপু সুলতান বিতর্কে কি বলছে সে রাজ্যের মানুষ
টিপু সুলতানের মৃত্যু নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। আর তাতে দেখা গিয়েছে তিনজন উত্তরদাতার মধ্যে একজন এই বিষয়ে সচেতন। তবে সে রাজ্যের ৭৪ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে এই বিতর্কের ফলে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ২৯ শতাংশ মানুষ মনে করে এই বিষয়টিও তোলা উচিৎ। তবে এরা সবটাই বিজেপির সমর্থক বলে সমীক্ষাতে দেখা গিয়েছে।

কীভাবে এই সমীক্ষা চালানো হয়-
এই সমীক্ষা করতে কর্ণাটকের ২১টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৮২টি ভোট কেন্দ্রে মোট ২১৪৩ জনের সঙ্গে কথা বলা হয়। দুটি ভোটদান কেন্দ্রের কাজ সরজমিনে পূর্ণ হয়নি। বিধানসভা নির্বাচন কেন্দ্রগুলিকে Probability Proportional to Size- নমুনা ব্যবহার করে বেছে নেওয়া হয়। সেখানে চারটি কেন্দ্রকে বেছে নেওয়া হয়। প্রত্যেক কেন্দ্র থেকে ৪০ জনকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। আর সেই ভিত্তিতেই এই সমীক্ষা চালানো হয়।












Click it and Unblock the Notifications