Narendra Modi: ১ টাকায় ৮৫ টাকার দুর্নীতি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করায় মানুষ আশীর্বাদ করেছে
সংসদ অধিবেশনে জবাবি ভাষণে দুর্নীতি ইস্যুতে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিরোধীদের তুমুল হট্টোগোলের মাঝেই তিনি তাঁর বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী সংসদে দাঁড়িয়ে দুর্নীতি ইস্যুতি বিরোধীদের নিশানা করে বলেন, ১টাকায় ৮৫ পয়সার দুর্নীতি হয়েছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল দেশে।
দুর্নীতি দেশকে ভেতর থেকে শেষ করে দিচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করায় সেকারণে মানুষ তাঁকে আশীর্বাদ দিয়েছে। সেকারণেই তিনি আবার ভোটে জিতে সরকার গড়তে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন। এক কথায় তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন বিরোধীরা যতই চিৎকার করুক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ চালিয়ে যাবে তার সরকার। দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্সে বিশ্বাসী তাঁর সরকার।

নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্নীতি নিয়ে হুঙ্কার দিয়েছি্লেন। তিনি বলেছিলেন ফের বিজেপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান আরও বাড়বে। এজেন্সি তৎপরতা আরও বাড়বে। দুর্নীতিতে যুক্ত কাউকে রেয়াত করা হবে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১৪ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার পরেই দুর্নীতি ইস্যুতে দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। এবং তাঁকে তিহাড়় জেলে থাকতেও হয়েছিল বেশ কয়েক দিন।
আবার চিদম্বরের ছেলে কার্তি চিদম্বরমকে দুর্নীতির অভিযোগে জেলে থাকতে হয়েছে। ইডি-সিবিআই তৎপরতা মারাত্মক হারে গোটা দেশে বেড়ে গিয়েছে। একাধিক বিরোধী দলের নেতা মন্ত্রীর বাড়িতে কেন্দ্রীয় এজেন্সি অভিযান চালিয়েছে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।
পশ্চিমবঙ্গে কয়লাপাচার কাণ্ড থেকে শুরু করে নিয়োগ দুর্নীতি, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি, পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি একের পর এক কাণ্ডের তদন্ত চালিয়েছে ইডি-সিবিআই। এই তদন্তে শাসক দলের একাধিক নেতা মন্ত্রী জেলে রয়েছেন। শাসক দলের নেতার ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে।
শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয় ঝাড়খণ্ডে জমি দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। আবার দিল্লিতে আবগারি দুর্নীতির অভিযোগে জেলে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সহ তাঁর একাধিক মন্ত্রী। বিহারেও আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদবের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে ইডি।
মোদীর শাসন কালে গোটা দেশেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির তৎপরতা বেড়ে গিয়েছে। এমনকী গান্ধী পরিবারের দুই সদস্য সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীকেও জেরা করতে ছাড়েনি ইডি। যদিও বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এজেন্সি ব্যবহার করে বিরোধীদের চাপে রাখতে চাইছেন।












Click it and Unblock the Notifications