Nagpur Clash: নাগপুরে হিংসার ‘মাস্টারমাইন্ড’! গ্রেফতার সংখ্যালঘু দলের নেতা ফাহিম শামিম খান
Nagpur: নাগপুরে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত। দাঙ্গার মাস্টারমাইন্ড অভিযোগে ফাহিম শামিম খানকে বুধবার গ্রেফতার করে নাগপুর পুলিশ। সোমবার ধর্মীয় কারণে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয় নাগপুরে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাথর ছোড়ে বিক্ষোভকারীরা। আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় একাধিক গাড়ি-বাইক। আহত হন বহু মানুষ।
জানা গিয়েছে, ধৃত মূল অভিযুক্ত ফাহিম খান গত ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও লড়েছিলেন। নাগপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে মাইনরিটিজ ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে লড়েছিলেন তিনি। প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরি। তাঁর কাছে ৬.৫ লক্ষ ভোটে হেরে যান। সেই ফাহিম খানকেই দাঙ্গা লাগানোর অভিযোগে গ্রেফতার করল পুলিশ। ২১ মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতেই রাখা হবে তাঁকে।

ছবি সৌজন্য- PTI
সূত্রের আরও খবর, নিজের দলের শহর সভাপতি পদে ছিলেন ধৃত ফাহিম। বছর ৩৮-এর ফাহিম নাগপুরের যশোধারা নগরের সঞ্জয় বাঘ কলোনির বাসিন্দা। নাগপুরে দাঙ্গার ঘটনায় দায়ের হওয়া FIR-এ রয়েছে তাঁর নাম। প্রাথমিক তদন্তে তাঁরই নাম উঠে এসেছে। সংঘর্ষের ভিডিয়োতেও তাঁকেই দেখা গিয়েছে বলে দাবি পুলিশের। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের আগে উসকানিমূলক ভাষণও দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃত ফাহিমের বিরুদ্ধে।
পুলিশের দাবি, উসকানিমূলক বক্তৃতার জেরেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রসঙ্গত, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমাধি সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছে হিন্দু সংগঠনগুলি। সকালে এনিয়ে প্রতিবাদের পরই রাতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের প্রায় জনা ৪০-৫০ জন কর্মী ঔরঙ্গজেবের সমাধিস্থল গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবিতে প্রতিবাদ প্রদর্শনে সামিল হন। মুঘল সম্রাটের কুশপুতুল আগুনে জ্বালিয়ে দেয় তারা।
এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রটে যায় যে ওই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিশেষ ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পোড়ানো হয়েছে। গুজব রটতেই রাস্তায় শয়ে শয়ে যুবক নেমে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। সন্ধে সাড়ে ৭টা নাগাদ ব্যাপক আকার নেয় সংঘর্ষ। আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রায় ২৫টি বাইক ও তিনটি গাড়ি এবং একটি ক্রেন। বাধ্য হয়ে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আহতও হয়েছেন প্রায় ৩০ জন প্রশাসনিক আধিকারিক।












Click it and Unblock the Notifications