রহস্যজনক ভাবে মৃত ভারতীয় আখড়া পরিষদের সভাপতি মহন্ত নরেন্দ্র গিরি, তদন্তে পুলিশ
রহস্যজনক ভাবে মৃত ভারতীয় আখড়া পরিষদের সভাপতি মহন্ত নরেন্দ্র গিরি, তদন্তে পুলিশ
মারা গেলেন অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদের সভাপতি মহন্ত নরেন্দ্র গিরি। যার জেরে শোকের ছায়া নেমেছে ভারতেক সন্ন্যাসীকূলে। এদিকে সর্বভারতীয় আখড়া পরিষদ হল ভারতের সাধুদের সবচেয়ে বড় সংগঠন। এই সংগঠনেরই সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন মহন্ত নরেন্দ্র গিরি। এদিন তার বাঘামবাড়ি মঠ প্রয়াগরাজের ঘরে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এদিকে তাঁর মৃত্যুতে ইতিমধ্যেই শোক প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

শোকবার্তায় টুইটারে যোগী লেখেন, “ভারতীয় আখড়া পরিষদের সভাপতি মহন্ত নরেন্দ্র গিরির মৃত্যুতে আমি গভীর ভাবে শোকাহত। তাঁর মতো মহান ব্যক্তির মৃত্যু আধ্যাত্মিকতার দুনিয়া বড় ছাপ ফেলবে। ভগবান রামের কাছে আমাদের প্রার্থনা মৃত্যুর পর তাঁকে যেন নিজের চরণে জায়গা দেন।পাশাপাশি এই কঠিন অবস্থা মোকাবিলা করার জন্য ভগবান আমাদের শক্তি দিন। ওম শান্তি।” অন্যদিকে সাধক হলেও রাজনীতি মহলে রীতিমতো যাতায়ত ছিল মহন্ত নরেন্দ্র গিরি। এমনকী গেরুয়া শিবিরের সঙ্গেও ছিল ওঠাবসা।
তাই স্বভাবতই নরেন্দ্র গিরির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরেও। এদিকে বয়স হলেও তার আসল মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘনাচ্ছে রহস্য। সহজ কথায় মহন্ত গিরির মৃত্যুর আসল কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, একাধিক দিকে যাচ্ছে সন্দেহের তীর।এদিকে, তার মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের জন্য ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছে পুলিশ।
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী সম্প্রতি তাঁর শিষ্য স্বামী আনন্দ গিরির সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ হয়। বদি হনুমান মন্দিরের যোগগুরু স্বামী আনন্দ গিরির বিরদ্ধে সন্ন্যাসীদের ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে গিয়ে একাধিক কাজ করার অভিযোগ ওঠে। এমনকী বিধি লঙ্ঘন করে তিনি তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। এই অভিযোগেই তাকে বাঘামবাড়ি মঠ ও আখড়া থেকে বরখাস্ত করা হয়। অনেকেই বলছেন ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে নরেন্দ্র গিরিকে খুন করে থাকতে পারেন স্বামী আনন্দ। গোটা ঘটনাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications