মসজিদের আদলে বাসস্টপ! বিজেপি সাংসদের অভিযোগের পর বদলে গেল নকশা
মসজিদের আদলে বাসস্টপ! বিজেপি সাংসদের অভিযোগের পর বদলে গেল নকশা
মহিশুরে একটি বাসস্টপ সম্প্রতি বিতর্কের কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছিল। বিজেপি সাংসদ মহিশুরে একটি বাসস্টপকে মসজিদের ওপর দেখতে হওয়ায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বাসস্টপটি ভেঙে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। যদিও বিজেপি সাংসদকে বাসস্টপটি ভেঙে ফেলতে হয়নি। তার আগেই বাসস্টপের মাথার ওপর তিনটি গম্বুজের দুটো গম্বুজ সরিয়ে দেওয়া হয়। একটি গম্বুজটির রঙ লাল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি প্রকাশ পেয়েছে।

ন্যাশনাল হাইওয়ে ৭৬৬ কেরালা বর্ডার-কোলেগালা সেকশনে বাসস্টপের বিশ্রাম কেন্দ্রটি কিছুদিন আগে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। কর্ণাটকের বিজেপি সাংসদ প্রতাপ সিমহা সম্প্রতি বাসস্টপটি মসজিদের মতো হওয়ার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি ইঞ্জিনিয়ারদের মসজিদের মতো দেখতে বাসস্টপটি ভাঙতে নির্দেশ দেন। সাংসদের এই নির্দেশ দেওয়ার পরেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীরা সিমহার বিরুদ্ধে প্ররোচনা মূলক মন্তব্য করার অভিযোগ করেন। সিমহা সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেন, 'আমি দেখেছি, বাসস্ট্যান্ডের তিনটি গম্বুজ রয়েছে। একটি বড় পাশের দুটি ছোট। এটি শুধুমাত্র মসজিদে দেখতে পাওয়া যায়।' তিনি অভিযোগ করেন, মহিশুরের বেশিরভাগ অবকাঠামো এই ধরনের নকশায় তৈরি হচ্ছে। আমি ইঞ্জিনিয়ারদের বলেছি, বাসস্টপটি ভেঙে ফেলতে। না হলে আমি তিন চার দিনের মধ্যে জেসিবি দিয়ে ভেঙে ফেলব।'
স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক রাম দাসের নেতৃত্বে এই বাসস্টপটি তৈরি হয়েছিল। যদিও তিনি দলের সাংসদের এই ধরনের মন্তব্য প্রথমে অস্বীকার করেন। পরে তিনি জানিয়েছিলেন, মহিশুরের প্রাসাদ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এই নকশাটি তৈরি করেছিলেন। পরে তিনি মহিশুরের স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে ক্ষমা চান। তিনি বলেন, মহিশুরের ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখে এই নকশা করা হয়েছিল। এতে কারও ভাবাবেগে আঘাত লাগলে তিনি দুঃখিত। তিনি বলেছিলেন, বাসস্টপটিতে তিনটি গম্বুজ রয়েছে। তারমধ্যে দুটি গম্বুজ সরিয়ে নিচ্ছি।
রবিবার সকালে বিজেপি সাংসদ সিমহা সোশ্যাল মিডিয়ায় বাসস্টপটি বিশ্রামকেন্দ্রের পরিবর্তনের খবর শেয়ার করেছেন। পাশাপাশি একটি ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে বাসস্টপটিতে তিনটে গম্বুজের বিরুদ্ধে একটি গম্বুজ দেখা যাচ্ছে। আগে গম্বুজগুলোর রঙ সোনালি ছিল। বর্তমানে একটি বড় গম্বুজের রঙ লাল করা হয়েছে। ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি সিটি কর্পোরেশন এবং কর্ণাটক রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডকে এই বাসস্টপটির অবকাঠামো ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications