তৈরি হচ্ছে সাতটি নতুন ব্যাটেলিয়ন! চিনকে ঠেকাতে মোতায়েন হবে আরও ৯,৪০০ জওয়ান
প্রত্যেকদিন কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে ভারত-চিন সীমান্ত। লাগাতার নির্মান কাজ তো চলছেই। বরং সেনা থেকে শুরু করে সীমান্ত জুড়ে কখন গ্রাম তো কখনও সেনা ঘাঁটি তৈরি করছে প্রতিবেশী এই দেশটি। এই অবস্থায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ
ভারত-চিন সীমান্তে ক্রমশ বাড়ছে উত্তেজনা! ভারতের আপত্তিকে উড়িয়ে লাগাতার সীমান্তে নির্মান কাজ চালাচ্ছে বেজিং। যদিও যোগ্য জবাব দিতে সীমান্ত জুড়ে বিশাল সেনা মোতায়েন করছে ভারতও। তাতে ও কোথাও ফাঁক রাখতে চাইছে না মোদী সরকার। আর তাই সীমান্তের নিরাপত্তায় আরও সাতটি নতুন ব্যাটেলিয়ন তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আর এজন্যে ৯,৪০০ জন জওয়ানের নিয়োগের ক্ষেত্রে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আর এই সিদ্ধান্তে ভারত এবং চিন সীমান্তে ( LAC) ভারতের শক্তি নিঃসন্দেহে আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার কমিটি অন সিকিউরিটি'র বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকেই এই সিদ্ধান্তে শিলমোহর দেওয়া হয় বলে জানা যাচ্ছে।
১৯৬২ সালে চিনের আগ্রাসনের পর আইটিবিপি তৈরি করা হয়। প্রায় ৯০,০০০ সেনাবল নিয়ে এই ফোর্স তৈরি করা হয়। আর এরপরেই পূর্ব ভারতের ৩,৪৮৮ কিলোমিটার জুড়ে থাকা ভারত চিনের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি)-র নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয় এই বাহিনীর হাতে। আইটিবিপির জওয়ানরা একাধিক বিষয়ে অনেক বেশি পারদর্শী। সীমান্তে প্রবল ঠান্ডায় দাঁড়িয়ে একদিকে দেশের সুরক্ষার কাজ চালিয়ে যেতে পারে অন্যদিকে পাহাড়ে যুদ্ধের ক্ষেত্রেও এই ফোর্স অনেক বেশি দক্ষ।
২০২০ সালের পর থেকে ভারত এবং চিন সীমান্তে উত্তেজনা অনেক বেশি বেড়েছে। এই অবস্থায় সীমান্তে ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনের চোখ চোখ রেখে আইটিবিপির জওয়ানরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে খবর। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়। যেমন অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত জুড়ে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৭ টি আরও চৌকি তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
শীর্ষ এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভারত চিন সীমান্তে নিরাপত্তার কথা ভেবেই নতুন একাধিক সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে। সাতটি ব্যাটালিয়ন এবং প্রায় ৯,৪০০ জন জওয়ানদের নিয়ে একটি নতুন সেক্টর সদর দফতর অনুমোদন করা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, নয়া সাত ব্যাটালিয়ন এবং তাদের সদর দফতর আগামী ২০২৫ থেকে ২৬ সালের মধ্যে তৈরি হয়ে যাব বলে আশা করা হচ্ছে। জমি অধিগ্রহণ থেকে গোলা-বারুদ, সমরাস্ত্র! একাধিক বিষয়ের জন্যে ১,৮০৮.১৫ কোটি টাকার বাজেট ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। যদিও বেতন এবং রেশনের জন্য ৯৬৩.৬৮ কোটি টাকার বার্ষিক ব্যয় ধরা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বলে রাখা প্রয়োজন, আগামী অর্থবছরের জন্যে প্রতিরক্ষা সেক্টরে ব্যাপক বরাদ্দ করা হয়েছে। একাধিক ইস্যুতে এই খরচ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications