অনাবৃষ্টির পূর্বাভাস, বর্ষা নিয়ে আশঙ্কার কথা শোনাল হাওয়া অফিস
গ্রীষ্মের দহনের পারা ক্রমশ চড়ছে। তার মাঝেই আবার বর্ষা নিয়ে দুঃসংবাদ শোনাল আইএমডি। গোটা দেশে নাকি বর্ষা ভাগ্যেও শনির দশা। অর্থাৎ এবার বর্ষাতেও অনাবৃষ্টির ছায়া। আইএমডি এখন থেকেই পূর্বাভাস দিয়ে দিয়েছে এবার বর্ষায় তেমন বর্ষণ হবে না।

বর্ষায় অনাবৃষ্টির ছায়া
দহন জ্বালায় পুড়ছে গোটা দেশ। চাতক পাখির মত বর্ষার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। কবে থেকে আসবে বর্ষা তাই জানার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। কিন্তু সকলের আশায় এক প্রকার জল ঢেলে িদয়েছে আইএমডি। এবার বর্ষা নির্ধারিত সময়ে এলেও স্বাভাবিকের থেকে কম বর্ষণই হবে দেশে। কাজেই গরম থেকে বাঁচার খুব একটা আশা খবর শোনায়নি আইএমডি। উল্টে দুঃসংবাদই দিয়েছে বললে ভুল হবে না।

ভিলেন সেই এলনিনো
এই অনাবৃষ্টির ছায়ার নেপথ্যে রয়েছে সেই এলনিনো। গরমের দাপট এবার স্বাভাবিকের থেকে বেশি রয়েছে। তার নেপথ্যেও রয়েছে এলনিনো প্রভাব। এলনিনো বর্ষার বৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় জলীবাষ্প টেনে নিয়ে যাচ্ছে। সেকারণেই বর্ষার জন্য প্রয়োজনীয় জলীয় বাষ্প থাকছে না। তার জেরেই বর্ষায় অনাবষ্টির আশঙ্কা। ভারত মহাসাগরে এলনিনোর প্রভাব বেশি পড়বে।

কী এই এলনিনো
এল নিনো বছর দুয়েক আগে থেকে এই নামের সঙ্গে পরিচিত হয়েছে গোটা বিশ্ব। গ্লোবাল ওয়ার্মিং শুরু হওয়ার আগে এই এই এলনিনো নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। যদিও এটি একধরণের আবহাওয়ার প্রতিরূপ যেটা প্রতি ২ অথবা তিন বছর অন্তর ফিরে আসে। যেটা সমুদ্রের উপরের তাপমাত্রা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। মূলক প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হয় এলনিনোর প্রভাব। তার রেশ গিয়ে পড়ে আশপাশের মহাসাগরেই। ভারতেও এবার তার প্রভাব পড়তে চলেছে।

চাষবাসে ক্ষতি
ভারত কৃষি প্রধান দেশ। বর্ষার উপর দেশের অর্থনীতির সিংহভাগটাই নির্ভর করে। সেকারণে ভারতে একবার বর্ষা প্রভাবিত হলে তার অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ে। কাজেই স্কাইমেটের পূর্বাভাসে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন আবহাওয়া বিদরা। এমনিতেই এপ্রিলমাসেই রাজ্যের পারা চড়েছে ৪০ ডিগ্রিতে। রাজ্য জুড়ে তাপ প্রবাহের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তার উপরে অনাবৃষ্টির আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছে আবহাওয়া বিদরা।












Click it and Unblock the Notifications