ঐতিহ্যশালী দশটি সেনানিবাস স্থানীয় প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের, তালিকায় আছে কি বাংলা
নরেন্দ্র মোদী সরকারের নেওয়া নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর তিনটি কমান্ডের অধীনে থাকা দশটি সেনানিবাস স্থানীয় প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী কাগজপত্র হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও এগিয়েছে অনেকটা।
সেনাবাহিনীর যেসব ক্যান্টনমেন্টগুলি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একীভূত হবে, সেগুলি হল দেহরাদুন, দেওলালি, নাসিরাবাদ, বাবিনা, আজমির, রামগড়, মথুরা, শাহজাহানপুর, ক্লিমেন্ট টাউন এবং ফতেহগড়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড, সাউথ ওয়েস্টার্ন কমান্ড ও সাউদার্ন কমান্ড উত্তরাখণ্ড, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড ও উত্তর প্রদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চলেছে।

ক্যান্টনমেন্ট এলাকাগুলি ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। এইসব বিজ্ঞপ্তিতে আটসপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সারা দেশের ৬২ টি সেনানিবাসকে প্রাচীন ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার বলে বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা করেছে। সেনানিবাসের মধ্যে সামরিক এলাকাগুলিকে একটি সামরিক স্টেশনে রূপান্তরিত করে সেখানকার অসামরিক এলাকাগুলিকে সংলগ্ন পুর কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে নাগরিক সুবিধা ও পুরসভার পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশে সব সম্পত্তির মালিকানা অধিকার রাজ্য সরকার বা পুরসভার কাছে বিনামূল্যে হস্তান্তর করা হবে। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সম্পদ ও দায়ও পুরসভার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সামরিক স্টেশন ও সেনানিবাসগুলি সাধারণভাবে সবুজে পূর্ণ। সেনাবাহিনী আগামী পাঁচ বছরেরহ মধ্যে সব সামরিক স্টেশনগুলিকে বর্জ্য মুক্ত করার অভিযানও শুরু করেছে। এইসব সেনানিবাসগুলি ব্রিটিশ আমলে গড়ে উঠেছিল। সেখানে সেনাকর্মী ও তাদের পরিবার বাস করত। বছরের পর বছর ধরে সেইসব এলাকা সম্প্রসারিত হয়েছে। এই মুহূর্তে বিপুল সংখ্যক অসামরিক নাগরিক সেইসব সেনানিবাসের আশপাশে বসবাস করেন।
স্বাধীনতার সময় ৫৬ টি সেনানিবাস ছিল। ১৯৪৭ সালে সেখানে আরও ছয়টি যুক্ত হয়। এরমধ্যে সর্বশেষটি হল আজমেরঢ়, যা ১৯৬২ সালে যুক্ত হয়। এই মুহূর্তে ৬২ টি সেনানিবাস ১.৬১ একর এলাকা জুড়ে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications