রাম মন্দিরে 'প্রাণ প্রতিষ্ঠা'! সারা ভারতে সরকারি অফিসে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা
Ram Mandir: সারা দেশের চোখ অযোধ্যায়। বিশেষ করে ২২ জানুয়ারি। সেদিন রামলালা প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। এই উপলক্ষে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার সারা দেশের কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস, কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিতে অর্ধ দিবস ছুটি ঘোষণা করেছে।
এদিন প্রকাশিত এক সরকারি প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। কর্মীরে যাতে সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারে, তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় সরকারি শিল্প সংস্থায় বেলা আড়াইটে পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করেছে।

কেন্দ্রীয় সরকার ছাড়াও অনেক রাজ্য সরকার ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামমন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন ছুটি ঘোষণা করেছে। উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার রামমন্দিরের উদ্বোধনকে সামনে রেখে ২২ জানুয়ারি রাজ্যের সব স্কুল কলেজে ছুটি ঘোষণা করেছে।
২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে সেজে উঠেছে অযোধ্যা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, যোগী আদিত্যনাথ এবং অন্য বিশেষ আমন্ত্রিতরা মেগা ইভেন্টে যোগ দিতে তৈরি। শুধু রাজনীতিবিদরাই নন, বলিউড সেলিব্রিটি, ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর, মুকেশ আম্বানি, গৌতম আদানির মতো শিল্পপতিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রে ট্রাস্ট। তাদের আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন সাত হাজারের ওপরে অতিথি।
তবে বিরোধী নেতানেত্রীদের কেউ ই সেদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন না। তাঁরা নিজেদের মতো করে তাঁদের কর্মসূচি তৈরি করেছেন। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এই মুহূর্তে রয়েছেন ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায়। ২২ জানুয়ারি তিনি অসমে থাকবেন এবং দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে অসমের একটি মন্দিরে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।
মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি ২২ জানুয়ারি কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তারপর সেখানে থেকে বেরিয়ে হাজরা থেকে পার্কসার্কায় ময়দান পর্যন্ত সংহতি পদযাত্রা করবেন।
শরদ পাওয়ার রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠায় আমন্ত্রণ পাওয়ার পরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, ওই অনুষ্ঠানে তিনি থাকবেন না। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেও এখনও রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠায় আমন্ত্রণ পাননি। তবে ঠাকরে জানিয়েছেন, তিনি ও দলের নেতারা ২২ জানুয়ারি নাসিকের কালারাম মন্দিরে যাবেন এবং সেখানে মহা আরতি করবেন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এখন আমন্ত্রণ পাননি। তবে তিনি ২২ জানুয়ারি রাজধানীতে সুন্দর কাণ্ড ও হনুমান চালিসা কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকও রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না। ২২ জানুয়ারি তিনি নিজের রাজ্যে জগন্নাথ হেরিটেজ করিডোর উদ্বোধন করবেন বলে জানা গিয়েছে।
আরজেডি সুপ্রিমো লালু যাদব জানিয়েছেন, তিনি রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না। যোগ দেবেন না তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনও। অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না সিপিআইএমের কোনও নেতা কিংবা নেত্রী।












Click it and Unblock the Notifications