ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে সমুদ্র সেতু? বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে মোদী সরকার
রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপর সোমবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন। কেটেছে সারা দিন। তারই মধ্যে নতুন এক সম্ভাবনা সামনে এসেছে। মোদী সরকার শীঘ্রই ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে ২৩ কিমি সমুদ্র সেতু তৈরির সম্ভাবনা যাচাই করে দেখতে পারে।
ভগবান রাম হনুমানকে তাঁর সেনাবাহিনী শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যেতে সেতু তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই শ্রীলঙ্কার তালাইমান্নারের সঙ্গে ধানুশকোডিকে সংযুক্ত করার সম্ভাবনা যাচাই করে দেখতে পারেয যা দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র সেতুক নির্মাণের প্রস্তাবকে ত্বরান্বিত করবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

গত বছরের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রম সিংঘের দিল্লি সফরের সময় ত্রিনকোমালি ও কলম্বো বন্দরে জমির বিকাশের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখতে সম্মত হয়েছিল দুই দেশ। এরপর বিদেশমন্ত্রক ই বিষয়ে অন্য মন্ত্রক ও সরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করে। সূত্রের খবর, বিদেশমন্ত্রকের আধিকারিকরা একটি পরিকল্পনা তৈরি করার আগে সেতুর সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন।
সূত্রের আরও খবর, বিক্রমসিংঘের সফরের সময় দুধ, তেল, বিদ্যুৎ ও শিপিং-সহ অন্য সেক্টরগুলি নিয়ে দু'দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। দু'দেশের মধ্যে সমুদ্র সেতু তৈরি করতে গেলে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে। তবে এটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে এটি কতটা কার্যকরী হতে, তা খতিয়ে দেখতে সরকারকে প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত দিকগুলি মূল্যায়ন করতে হবে।
দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র সেতুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গত এক দশকের বেশি সময় আলোচনা হয়ে আসছে। জানা যায়, ২০১৫-তে কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নীতীন গডকরি বিক্রম সিংঘের সঙ্গে বৈঠকে সড়কের সঙ্গে রেল সেতু তৈরির বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications