Lok Sabha Election: ফের ভাগ হবে উত্তরপ্রদেশ? লোকসভা ভোটের মধ্যে পৃথক রাজ্যের পক্ষে আওয়াজ তুললেন মায়াবতী
লোকসভা ভোটের মধ্যেই ফের পৃথক রাজ্যের পক্ষে সরব হলেন বিএসপি প্রধান মায়াবতী। মঙ্গলবার পশ্চিম উত্তর প্রদেশের জেলাগুলি নিয়ে একটি পৃথক রাজ্য গঠন করার এবং মিরাটে এলাহাবাদ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গঠনের পক্ষে সওয়াল করলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। চলতি লোকসভা নির্বাচনের পর তাঁরা কেন্দ্রের ক্ষমতায় এলে "দীর্ঘদিনের দাবি" পূরণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএসপি নেত্রী।
মিরাট আসন থেকে তাঁর দলের মনোনীত প্রার্থীর সমর্থনে একটি নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমের জেলাগুলিকে নিয়ে পৃথক রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেছেন মায়াবতী।
তিনি সংরক্ষণের ইস্যুতে কংগ্রেস, বিজেপি এবং সমাজবাদী পার্টিকে আক্রমণ করে এবং অভিযোগ করেছিলেন যে অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন এসপি চায় না যে এসসি/এসটি সম্প্রদায়ের লোকেরা কোটার সুবিধা পান।

মায়াবতী নির্বাচনের জনসভা থেকে বলেন, "আমরা লখনউয়ের মতো এখানে (মিরাট) এলাহাবাদ হাইকোর্ট বেঞ্চের জন্য আপনার দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেব।কেন্দ্রীয় সরকার এতে মনোযোগ দিচ্ছে না কিন্তু আমরা যখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসব, আমরা এই বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেব।"
তিনি তাঁর সরকারের আমলে একটি পৃথক রাজ্যের জন্য প্রস্তাব পাস করার কথা উল্লেখ করেছেন যা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। এই বিষয়ে মায়াবতী জানান, দল শুরু থেকেই মনে করে যে পশ্চিম অঞ্চল গুলির উন্নয়নের জন্য একটি পৃথক রাজ্য করা উচিত। .
মায়াবতী বলেন, "আমরা রাজ্য বিধানসভা থেকে একটি প্রস্তাব পাস করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠিয়েছিলাম কিন্তু তারা তাতে কাজ করেনি৷ আমাদের দল যখন কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে, তখন আপনার পশ্চিম ইউপিকে আলাদা রাজ্য করা হবে৷
মায়াবতী লোকসভা ভোটে 'একলা চলো' নীতির ঘোষণা করেছেন। জোট প্রত্যাখান করে ২০২৪-এর ভোটে একাই লড়ার সিন্ধান্ত নিয়েছেন। ইন্ডিয়া জোট বা এনডিএ জোট দুইয়ের থেকেই সমদূরত্ব বজায় রেখেছে বিএসপি। মায়াবতী অবশ্য নির্বাচন পরবর্তী জোটের কথা অস্বীকার করেননি। বিএসপি প্রধান মায়াবতীর মতে দুই জোটেরই অধিকাংশ দল দরিদ্রদের স্বার্থ বিরোধী এবং তারা জাতিভেদ এবং সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি করে।
উত্তরপ্রদেশে বিজেপির মোকাবিলায় অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টির (এসপি) সঙ্গে 'হাত' মিলিয়েছে কংগ্রেস। তবে 'জোট' নিয়ে কম টানাপড়েন হয়নি দু'দলের মধ্যে। আসন রফা করতে একাধিক বৈঠক হয় দু'দলের নেতৃত্বের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস এবং এসপি-র মধ্যে আসন রফা চূড়ান্ত হয়।












Click it and Unblock the Notifications