Manmohan Singh: “বাচ্চাদের পড়াশোনার খরচ দিতে চেয়েছিলেন মনমোহন,” স্মৃতির সরণিতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
Manmohan Singh Passes Away: কেমব্রিজ থেকে স্নাতক, অক্সফোর্ডের প্রাক্তনী, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী হয়ে দুবারের প্রধানমন্ত্রী, মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণে বিশ্বজুড়ে শোকের আবহ। উদার অর্থনীতির জনক মনের দিক থেকেও উদার ছিলেন। মনমোহনের প্রয়াণের পর এমনই কাহিনী সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিম (Anwar Ibrahim)।
এদিন মনমোহন সিং-কে শেষশ্রদ্ধা জানান আনওয়ার ইব্রাহিম। এরপর আবেগতাড়িত হয়ে ব্যক্তিগত কথাও ভাগ করে নেন তিনি। এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, জেলে থাকাকালীন তাঁর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ (scholarship) পর্যন্ত দিতে চেয়েছিলেন মনমোহন সিং। বিশেষ করে তার ছেলের পড়াশোনার জন্য অর্থসাহায্য করতে চেয়েছিলেন তিনি। যদিও ভদ্রতার খাতিরে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন ইব্রাহিম।

১৯৯০ এর দশকে মালয়েশিয়ার অর্থমন্ত্রী ছিলেন আনওয়ার। মনমোহন সিংয়ের অর্থনৈতিক সংস্কারের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। নিজ নিজ শাসনকালে দুই রাষ্ট্রনেতাই পারস্পারিক সম্পর্ক মজবুতে শান দিয়েছিলেন। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জেলবন্দি হন আনওয়ার।
সেসময়ই মনমোহন তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলে জানান তিনি। সাতপাঁচ না ভেবেই ইব্রাহিমের পরিবারকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন মনমোহন। যদিও সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ইব্রাহিম। তবে মনমোহনের সেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া আজীবন মনে রাখবেন তিনি।
মালয়েশিয়ার মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করা হয় আনওয়ারকে। জাতীয় নিরাপত্তা আইনে ১৯৯৮ সালে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। হেফাজতে শারীরিক নিগ্রহ সইতে হয়েছিল তাঁকে। দুর্নীতির দায়ে ধৃত ইব্রাহিমকে কারাবাসের জন্য অনেক অপমানের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এমন সময়েই তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন মনমোহন সিং। আনওয়ারের সন্তানদের পড়াশোনার খরচ দেওয়ার প্রস্তাব দেন মনমোহন।
প্রায় ৩০ বছর ধরে অসম থেকে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়ে আসছেন মনমোহন সিং। সমাজের বঞ্চিত শ্রেণিদের মধ্যে শিক্ষার প্রসার ঘটাতে উদ্যোগী হয়েছিলেন মনমোহন। ১৯৯১ সাল থেকে নিজের সাংসদ তহবিলের এলাকা উন্নয়নের টাকা স্বাস্থ্য ও নাগরিক পরিষেবার ক্ষেত্রে ব্যবহার করে এসেছেন মনমোহন সিং। অসমে নিম্ন বুনিয়াদি স্কুল গড়তেও ভূমিকা নেন মনমোহন সিং।












Click it and Unblock the Notifications