Manipur Violence: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-সহ পুলিশের জালে ১২৫
Manipur Violence: ফের অশান্তি মণিপুরে। মণিপুরের জিরিবাম জেলার বরোবেকোরো থানায় শনিবার ভোরে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর (Meitei and Kuki Clash) মধ্যে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয় গোটা এলাকা। গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বরোবেকোরো মহকুমার প্রত্যন্ত এলাকা।
মণিপুরে অশান্তির মাঝেই বড়সড় সাফল্য পুলিশের (Manipur Police)। রাজ্যের অস্ত্রাগার থেকে বিপুল পরিমাণ লুট হওয়া অস্ত্রশস্ত্র (looted weapons) উদ্ধার করল পুলিশ। একইসঙ্গে লুঠেরাদের গ্রেফতারও করে পুলিশ। ডিজিপি রাজীব সিং জানান, প্রায় ২৮০০টি এমন অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তিনি আরও জানান, ২০২৩ এর মে মাসে অশান্তির আগুনে (Manipur Violence) জ্বলতে শুরু করে মণিপুর। জনজাতিদের মধ্যে সংঘর্ষে রাজ্যের অস্ত্রাগার থেকে লুট হয়ে যায় অস্ত্রশস্ত্র। এখনও পর্যন্ত মোট ৬০০০ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান ডিজিপি। একইসঙ্গে স্পর্শকাতর (Vulnerable Places) একাধিক জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
স্রেফ অস্ত্র উদ্ধারই নয়, ১২৫ জন লুঠেরাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাজ্যের সরকারি কর্মচারী থেকে ব্যবসায়ী, এমনকী সাধারণ মানুষদেরও মারার পরিকল্পনা করেছিল এই অপরাধীরা। মণিপুরে অশান্তিতে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জন নিরাপত্তারক্ষী জওয়ানের। এদের মধ্যে ১১ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৬ জন রাজ্যের বাহিনী।
পুলিশ সূত্রের খবর, শনিবার কাকভোরে প্রায় সাড়ে তিনটে নাগাদ সশস্ত্র কুকি গোষ্ঠীরা মিলে বরোবেকোরো থানায় হামলা চালায়। আগুনে থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় মেইতি গোষ্ঠীর চারটি বাড়িতেও। খবর পেয়ে থানায় ছুটে যায় মণিপুর পুলিশ ও সিআরপিএফের টিম। এরপরই দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয় এলাকা।
সংঘর্ষে কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। তবে থানা ভবনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। থানা সংলগ্ন দুটি গ্রামকে টার্গেট করে ক্ষুব্ধ জনগোষ্ঠী। জুলাধর পার্ট ২ ও দুর্গাপুর গ্রামে মোট চারটি বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আতঙ্কে গ্রামছাড়া বাসিন্দারা।












Click it and Unblock the Notifications