Manipur: মণিপুরে এবার বেরঙিন বসন্ত, হল না কোনও উৎসব
Manipur: বসন্ত এলেই প্রত্যেক বছর আলাদা চেহারা নেয় মণিপুর (Manipur)। খেলাধুলো ও নানা অনুষ্ঠানে মেতে ওঠে গোটা রাজ্য। মেতেই সম্প্রদায়ের মানুষ এই অনুষ্ঠানকে বলেন ইয়ায়োসাং। হোলির (Holi) সময় মণিপুরে মূলত হিন্দুদের মধ্যেই এই রীতি প্রচলিত রয়েছে। তবে এবারের হোলি একেবারে ভিন্ন। নেই আনন্দের রেশ।
নেই কোনও উৎসব-অনুষ্ঠানও। ফলে মন খারাপ উত্তরের এই রাজ্যের (Manipur)। যদিও রঙের উৎসবে যাতে কোনও অশান্তি না হয় সেদিকে বাড়তি নজর রাখা হচ্ছে।

অ্যালার্ট রাখা হয়েছে বাহিনীকেও(Indian Army)। বলে রাখা প্রয়োজন,
রঙের উৎসবকে মাথায় রেখে সাধারণত পাঁচ দিন ধরে হয় বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয়। ফুটবল, ম্যারাথন, ভলিবলের আয়োজন করা হয় মণিপুরের (Manipur) বিভিন্ন অংশে। যেখানে অংশ নেন বহু মানুষ। তবে গত কয়েক মাসে দফায় দফায় হিংসায় বিধ্বস্ত হয়েছে মণিপুর। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এবার রিলিফ ক্যাম্পগুলির কঠিন জীবনযাপণের কথা মাথায় রেখে অনুষ্ঠান কার্যত বন্ধ রাখা হয়েছে।
হিংসার কারণে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আদিবাসী কুকি সম্প্রদায়ের। সমস্ত কিছু ভেবেই এহেন সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে এক সমাজকর্মী জানিয়েছেন, এবার প্রতীকী ইয়োসাং পালন করা হচ্ছে মণিপুরে (Manipur)। বসন্তকে আহ্বান করে যে অনুষ্ঠান করা হয়, তা এবার হচ্ছে না।
মণিপুরের (Manipur) মানুষের মধ্যে এই উৎসব ঘিরে উত্তেজনা প্রবল। বিশেষত শিশুরা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে এই উৎসবের জন্য। প্রত্যেকে এই সময় নতুন পোশাক পরেন, একে অপরকে উপহার দেন, মিষ্টিবিলি করেন। এই সময় ব্যবসায়ীদেরও অনেক উন্নতি হয়। বিক্রি বেড়ে যায় এক ধাক্কায় অনেকটাই। তবে এবার সে সব কিছুই হচ্ছে না। এমনটাই জানাচ্ছেন ওই সমাজকর্মী।
তবে ইম্ফল উপত্যকায় রঙের উৎসবকে মাথায় রেখে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে। হোলির আগের দিন বনফায়ারের আয়োজনও করা হয়েছিল। তবে সমাজের একটা বড় অংশের মানুষ চাইছেন এই উৎসব যাতে পালন করা হয়। তাঁরা চাইছেন, মানুষ এই উৎসব পালন করুক। কারণ দীর্ঘদিন ধরে শিশুরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে, তাদের মানসিক বিকাশে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications