বিরোধীরা অনাস্থা প্রস্তাব আনতেই বড় সিদ্ধান্ত লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার
"প্রকাশ্যে পক্ষপাতিত্বের" অভিযোগ তুলে অপসারণের প্রস্তাব বিরোধীরা জমা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা সংসদে তাঁর প্রিসাইডিং অফিসারের ভূমিকা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন। লোকসভা আধিকারিকদের মতে, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি ৯ মার্চ গৃহীত হতে পারে।
বাজেট প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য অধিবেশন পুনরায় বসলে সেটি গৃহীত হবে বলে চর্চা রয়েছে।

একজন আধিকারিক জানিয়েছেন, "লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা নৈতিকতার সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিরোধী দলের আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি অধ্যক্ষের আসনে বসবেন না।"
সংবিধানের ৯৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন অধ্যক্ষ বা উপাধ্যক্ষ অপসারণ প্রস্তাব বিবেচনাধীন থাকাকালীন সংসদের সভাপতিত্ব করতে পারেন না। যদি লোকসভায় প্রস্তাবটি আলোচনা হয়, তাহলে নিজেকে রক্ষা করার সাংবিধানিক অধিকার অধ্যক্ষের রয়েছে।
এদিকে, আধিকারিকরা জানিয়েছেন, স্পিকার ওম বিড়লা লোকসভার মহাসচিব উৎপল কুমার সিংকে বিরোধীদের অপসারণ প্রস্তাবটি পরীক্ষা করতে এবং নিয়ম অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
১১৮ জন বিরোধী সদস্য বিড়লাকে অপসারণের প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ রাষ্ট্রপতি ভাষণের ধন্যবাদ প্রস্তাবে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ অন্যান্য বিরোধীদের কথা বলতে না দেওয়া এবং আটজন সাংসদকে সাসপেন্ড করা নিয়ে।
কংগ্রেস সাংসদ ও মুখ্য সচেতক কে. সুরেশ তাঁর দল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি এবং ডিএমকে-সহ কয়েকটি বিরোধী দলের পক্ষে লোকসভা সচিবালয়ে এই নোটিস পেশ করেন। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা এতে স্বাক্ষর করেননি।
অতীতের তিন লোকসভা অধ্যক্ষ - জি ভি মাভালঙ্কার (১৯৫৪), হুকুম সিং (১৯৬৬) এবং বলরাম জাখর (১৯৮৭) - পূর্বে অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হলেও, সেগুলি খারিজ হয়ে যায়।












Click it and Unblock the Notifications