৯৩ শতাংশই কোটিপতি সাংসদ, বিজেপি-কংগ্রেসের মতোই তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরাও আছেন এই তালিকায়
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ৯৩ শতাংশই কোটিপতি, যা ২০১৯ সালে ৮৮ শতাংশ থেকে বেড়েছে, ভোটাধিকার সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন অফ ডেমোক্রেটিক রিফর্মস(এডিআর)-এর বিশ্লেষণ অনুসারে, সাম্প্রতিক নির্বাচনে ৫৪৩ জন বিজয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৫০৪ জন কোটিপতি।
২০১৯ সালে, বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ৪৭৫ (৮৮ শতাংশ) কোটিপতি ছিলেন, ২০১৪ সালে ৪৪৩ (৮২ শতাংশ) জন কোটিপতি সাংসদ ছিলেন। এই প্রবণতাটি ২০০৯ সাল থেকে একটি অবিচ্ছিন্ন বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ২০০৯ সালে ৩১৫ জন সাংসদ কোটিপতি ছিলেন।

তবে কোটিপতি এমপির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস ছাড়াও একাধিক আঞ্চলিক দল। ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে বিজেপি। তাদের ২৪০ জন এমপিদের মধ্যে ৯৫ শতাংশের সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি রুপি বা তার বেশি। কংগ্রেসের ৯৯এর ৯২ (৯৩ শতাংশ), ডিএমকের ২২ জনের মধ্যে ২১ জন (৯৫ শতাংশ), তৃণমূলের ২৯-এর মধ্যে ২৭ জন (৯৩ শতাংশ) কোটিপতি সাংসদ৷ সমাজবাদী পার্টির ৩৭জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৪ (৯২ শতাংশ) ১ কোটি টাকার বেশি সম্পদ ঘোষণা করেছেন।
সব থেকে কম সম্পদের অধিকারী এইরকম তিন সাংসদ হলেন পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া থেকে নির্বাচিত বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, আরামবাগ থেকে নির্বাচিত তৃণমূলের সাংসদ মিতালী বাগ এবং উত্তরপ্রদেশের মাচ্ছিলিশহর থেকে নির্বাচিত সমাজবাদী পার্টির সাংসদ প্রিয়া সরোজ। এই তিন সাংসদের সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ৫ লক্ষ, ৭ লক্ষ এবং ১১ লক্ষ টাকা।
রিপোর্টে আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। সেটি হলো- সমাপ্ত নির্বাচনে জয়ী এমপিদের সংখ্যা ৫৪৩ জনের মধ্যে ২৫১ জনের (৪৬ শতাংশ) বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের মামলা রয়েছে, তাদের মধ্যে আবার ২৭ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের (আইইউএমএল) নির্বাচিত এমপির শতকরা ১০০ ভাগের বিরুদ্ধেই ফৌজিদারী অপরাধ সম্পর্কিত মামলা রয়েছে। এছাড়া বিজেপির জয়ী ২৪০ জন এমপির ৩৯ শতাংশ, কংগ্রেসের ৯৯ জন এমপির মধ্যে ৪৯ শতাংশ, সমাজবাদী পার্টির ৩৭ জন এমপির ৫৭ শতাংশ, তৃণমূল কংগ্রেসের ২৯ জন এমপির ৪৫ শতাংশ এবং ডিএমকের জয়ী ২২ জন এমপির ৬৯ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications