লোকসভা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতেননি বিজেপির কেউ, সব দলকে টেক্কা কংগ্রেসের
Lok Sabha Election Statistics: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোট জেতার নজির রয়েছে অনেক। এমনকী লোকসভা নির্বাচনেও অনেক প্রার্থী কোনও চ্যালেঞ্জ ছাড়াই ড্যাং ড্যাং করে জিতেছেন।
১৯৫২ সাল থেকে পরিসংখ্যানে নজর রাখলে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে কোনও প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতেননি। একইসঙ্গে বিজেপির কেউ এভাবে লোকসভা নির্বাচন জেতার সুযোগ পাননি।

এবার যাঁরা লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ করবেন সকলেই শুরু থেকেই বসবেন নতুন সংসদ ভবনে। একটি সর্বভারতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ, ১৯৫২ থেকে আজ অবধি সবচেয়ে বেশি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লোকসভা নির্বাচনে সাংসদ পাঠিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর, সংখ্যাটা ৪।
এ ছাড়াও অন্ধ্র প্রদেশ, অসম, ওডিশা, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা ও উত্তরপ্রদেশ থেকে একাধিক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লোকসভা নির্বাচনে জিতে সংসদে গিয়েছেন। ১৯৫২, ১৯৫৭ ও ১৯৬৭ সালের লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি পাঁচজন করে প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছিলেন।
২০১২ সালে লোকসভা উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিলেন সমাজবাদী পার্টি সভাপতি অখিলেশ যাদবের স্ত্রী ডিম্পল যাদব। তারপর অবশ্য আর কেউ বিনা চ্যালেঞ্জে সংসদে যাওয়ার টিকিট পাননি। সিকিম ও শ্রীনগর আসন থেকে একাধিকবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভের নজির রয়েছে।
কংগ্রেস সবচেয়ে বেশি ২০ জন সাংসদ পেয়েছে, যাঁরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লোকসভা নির্বাচনে বাজিমাত করেছেন। ন্যাশনাল কনফারেন্স ও সমাজবাদী পার্টির ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ২। এক নির্দল প্রার্থীরও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভের নজির রয়েছে। তবে বিজেপির কেউ কখনও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লোকসভা নির্বাচনে জেতেননি।
মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন উপ প্রধানমন্ত্রী ওয়াইবি চ্যবন নাসিক থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লোকসভা নির্বাচনে জিতেছিলেন। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ফারুক আবদুল্লাহ শ্রীনগর কেন্দ্র থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন লোকসভা ভোটে।
নাগাল্যান্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা চারটি রাজ্যে রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলানো এসসি জমির, ওডিশার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হরেকৃষ্ণ মহতাব (অঙ্গুল), তামিলনাড়ুর টি টি কৃষ্ণমাচারী (তিরুচেন্দুর), প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিএম সঈদ (লাক্ষাদ্বীপ) ও কেএল রাও (বিজয়ওয়াড়া) লোকসভা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ীদের তালিকায় উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছেন।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications