Lok Sabha Election: পাঁচ বছরে পাল্টে গেল চিত্র, সরাসরি লড়াইয়ে বিজেপিকে টেক্কা আঞ্চলিক দলগুলির
২০১৪ সালে বিজেপি একক ভাবে ক্ষমতা দখলের পর জোট সরকারের গুরুত্ব এক ধাক্কায় কমে যায়, একইসঙ্গে আঞ্চলিক দলগুলিও রাজনীতির রাজনীতিতে তাদের কতৃত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফল জোট সরকার এবং আঞ্চলিক দল উভয়ের গুরুত্বই এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিল।শাসক হোক বা বিরোধী উভয় বেঞ্চেই থাকবেন বহু সংখ্যক আঞ্চলিক দলগুলির প্রতিনিধি।
২০১৯ সালের ভোটে বিজেপি বনাম আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অনেকটাই ভালো ফল করেছিল গেরুয়া শিবির। যার প্রভাব পড়েছিল সাংসদ সংখ্যাতেও। দেশজুড়ে ৩০৩টি আসনে জয়লাভ করে বিজেপি। এবার দাপট বৃদ্ধি পেয়েছে আঞ্চলিক দলগুলির। যার ফলে সংখ্যা কমেছে পদ্ম শিবিরের। ২০১৯ এবং ২০১৪ সালের ভোটের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

২০১৯ সালের পর ২০২৪ সালের ভোটে চিত্রটা সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। এবার বিজেপিকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে আঞ্চলিক দলগুলি, উত্তর প্রদেশে সপা হোক বা বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস যেখানেই বিজেপির বিরুদ্ধে সন্মুখ সমর হয়েছে সেখানেই আঞ্চলিক দলগুলি দাপট দেখিয়েছে।
বিজেপি এবং আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবার ১৭৮টি আসনে হয়েছে। এর মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৮৭টি আসেন। তাদের স্ট্রাইক রেট ৪৯% এবং আঞ্চলি্ক দলগুলি জিতেছে ৯১টি আসনে, তাদের স্ট্রাইক রেট ৫১%।
পশ্চিমবঙ্গে ২৯টি আসনে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে তাদের শক্তি অনেকটা বৃদ্ধি হয়েছে ২০১৯ সালের তুলনায়। কারণ এবার ১১ জন সাংসদ বেশি থাকছে তাদের হাতে। অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি বড় লাভ করেছে এবং ৩৭টি আসনে তারা জিতেছে ফলে সপার শক্তি প্রবলভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আঞ্চলিক দল হিসেবে তাদের প্রভাব যথেষ্টই থাকবে এবার।












Click it and Unblock the Notifications