অমিত শাহ মনোনয়ন জমা দিলেন বিজয় মুহূর্তে, আবেগঘন বার্তায় বুথকর্মী থেকে সংসদে উত্তরণের কথা
Lok Sabha Election 2024: ২০১৯ সালের পর ২০২৪ সালেও গান্ধীনগর আসন থেকে ভোটে লড়বেন অমিত শাহ। আজ তিনি মনোনয়ন জমা দিলেন।
আবেগঘন বার্তায় উঠে এলো সাধারণ বুথকর্মী থেকে সাংসদ হিসেবে উত্তরণের প্রসঙ্গ। অমিত শাহ উল্লেখ করলেন তাঁর গর্বের কথাও।

ঠিক বেলা ১২টা ৩৯ মিনিটে তিনি গান্ধীনগর কেন্দ্রের মনোনয়ন জমা দেন। গান্ধীনগরের কালেক্টর ও জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে মনোনয়ন পেশের সময় শাহের পাশে ছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। ১২টা ৩৯ মিনিটকে বিজয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মনোনয়ন পেশের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শাহ বলেন, বিগত ৫ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার এই লোকসভা কেন্দ্রে ২২ হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। তাছাড়া নরেন্দ্র মোদী যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনও এখানকার বিধানসভাগুলিতে প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে।
"यही में बहुत छोटे से बूथ कार्यकर्ता से संसद तक पंहुचा हूँ। अपार प्रेम इस क्षेत्र की जनता ने मुझे दिया है।" pic.twitter.com/itttnzDc0A
— BJP Gujarat (@BJP4Gujarat) April 19, 2024
অমিত শাহের বেড়ে ওঠা গুজরাতের মানসা গ্রামে। ছোটবেলাতেই আরএসএসের ভাবধারায় আকৃষ্ট হন। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের হয়ে কাজ করেছেন। ১৯৮৪-৮৫-তে বিজেপিতে যোগদান। ক্ষুরধার রাজনৈতিক মস্তিষ্ক ও দক্ষ সংগঠক অমিত শাহ বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার জাতীয় কোষাধ্যক্ষ হন। এরপর ক্রমাগত উত্থান।
অমিত শাহ এদিন বলেন, আমি এখানকার সাধারণ বুথকর্মী হিসেবে কাজ করেছি। সেখান থেকে সংসদ অবধি পৌঁছেছি। আমি যখনই এসেছি এখানকার মানুষ আমাকে বিপুল জনসমর্থন দিয়ে আশীর্বাদ করেছেন। আমার গর্ব এই কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন এলকে আদবানি, অটল বিহারী বাজপেয়ী। নরেন্দ্র মোদী এখানকার ভোটার। এখানে ৩০ বছর ধরে বিধায়ক, সাংসদ হিসেবে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে দল।
LIVE: કેન્દ્રીય ગૃહ અને સહકાર મંત્રી શ્રી @AmitShah જીનું પત્રકાર પરિષદને સંબોધન https://t.co/CMieYfMg8d
— BJP Gujarat (@BJP4Gujarat) April 19, 2024
উল্লেখ্য, লালকৃষ্ণ আদবানি ১৯৯১ সালে গান্ধীনগর কেন্দ্র থেকে সাংসদ হন। ১৯৯৬ সালে সাংসদ হন অটল বিহারী বাজপেয়ী। ১৯৯৮ থেকে ২০১৪ সাল অবধি টানা এই কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন আদবানি। ১৯৮৯ সাল থেকে টানা গান্ধীনগর আসনটি ধরে রেখেছে বিজেপি।
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে আদবানি ভোট পেয়েছিলেন ৬৮.১২ শতাংশ। ২০১৯ সালে অমিত শাহ পান ৬৯.৬৭ শতাংশ। এবারও নরেন্দ্র মোদীকে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করতে এনডিএ-কে চারশোর বেশি আসন উপহার দিতে গান্ধীনগর বিপুলভাবে বিজেপিকে আশীর্বাদ করবে বলে আত্মবিশ্বাসী শাহ। তিনি জানান, দেশের যে প্রান্তেই গিয়েছেন সেখানেই নরেন্দ্র মোদীর নামে ঝড় লক্ষ্য করেছেন। কংগ্রেস যে ক্ষত রেখে গিয়েছিল তা ভরাট করতে প্রথম ১০ বছরের অনেকটা সময় গিয়েছে। এবার বিকশিত, ভব্য ভারত গড়তে তৃতীয় মোদী সরকার এগিয়ে যাবে বলে দাবি শাহের।












Click it and Unblock the Notifications