একনাথ শিন্ডের সামনে সীমিত সুযোগ! শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের সাসপেনশন নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত আইনজ্ঞরা
মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মহা সংকট নিয়ে এদিন বৈঠকে বসতে চলেছেন শিবসেনা (Shiv Sena) সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। তিনি বিদ্রোহ দমনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে সীমিত সুযোগ বিদ্রোহী একনাথ শিন্ডের (E
মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মহা সংকট নিয়ে এদিন বৈঠকে বসতে চলেছেন শিবসেনা (Shiv Sena) সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। তিনি বিদ্রোহ দমনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে সীমিত সুযোগ বিদ্রোহী একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) সামনে। শিবসেনার দাবি তো ১৬ জন বিধায়ককে সাসপেন্ড করা নিয়েও দ্বিমত পোষণ করছেন আইনজ্ঞরা। সব মিলিয়ে জটিল জটে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংকট।

শিবসেনার জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক
শনিবার দুপুর একটায় দাদারের সেনা ভবনে শিব সেনার জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক বসছে। সেখানে উদ্ধব ঠাকরেই সভাপতিত্ব করবেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে বর্তমান শিবসেনা নেতৃত্বে গুয়াহাটির হোটেলে থাকা শিবসেনার অন্তত ৩৮ জন বিধায়কের বিদ্রোহ দমন করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। উদ্ধব ঠাকরে শুক্রবার নিজেকে নেতা হিসেবে তুলে ধরতে প্রয়াত পিতা বাল ঠাকরের উত্তরাধিকারের আহ্বানের সময় বিদ্রোহীদের ব্যাকস্ট্যাবরার বলে আক্রমণ করেন।

বিদ্রোহীদের তাড়াহুড়ো নেই
একনাথ শিন্ডের সঙ্গে থাকা প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিধায়ক দীপক কেসারকর সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, আপাতত তারা মহারাষ্ট্র ফিরে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করছেন না। ১৬ বিদ্রোহী বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যে অনুরোধ ডেপুটি স্পিকারের কাছে করা হয়েছে, তা শিন্ডে গোষ্ঠীকে কোণঠাসা করার জন্য বলে, তিনি মন্তব্য করেছেন। শিবসেনার নতুন চিফ হুইপ নিয়োগ নিয়ে তিনি বলেছেন, যে দলের শক্তি ১৫-তে নেমে গিয়েছে, সেখানে তাদের কীভাবে চিফ হুইপ থাকতে পারে। অনাস্থা ভোট হলে বর্তমান সরকারের পতন হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

সাসপেনশন নিয়ে বিভক্ত আইনজ্ঞরা
শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীর তরফে ১৬ বিধায়কের বিরুদ্ধে সাসপেনশনের নোটিশ জমা পড়েছে উপধ্যক্ষের কাছে। যা নিয়ে আইনি অবস্থান ঠিক করতে শুক্রবারে বিধানসভার তরফে তলব করা হয়েছিল মহারাষ্ট্রের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে। তবে বিষয়টি নিয়ে আইনজ্ঞরা দ্বিমত বলেই জানা গিয়েছে। তবে আইনজ্ঞদের বেশিরভাগই বলছেন সাম্প্রতিক দলীয় বৈঠকে যোগদান না করার কারণে, তাঁদের অযোগ্য ঘোষণা করা যায় না।

একনাথ শিন্ডের সামনে সীমিত বিকল্প
তবে দলত্যাগ বিরোধী আইন শক্ত হওয়ায় এই মুহূর্তে একনাথ শিন্ডের সামনে সীমিত বিকল্প রয়েছে। কেননা ২০০৩ সাল পর্যন্ত যদি কোনও দলের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক কিংবা সাংসদ যদি দলত্যাগ করতেন, তাঁরা আলাদা দল দঠন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হত না। পরে এই আইন কঠোর করা হয়। এই মুহূর্তে যদি দুই তৃতীয়ংশা সদস্য দল ছেড়ে চলে যান, তাহলেও অযোগ্যতা এড়ানো যাবে না। সেই কারণে শিন্ডের কাছে সীমিত বিকল্প রয়েছে। গয় তাঁকে বলতে হবে তিনিই আসল শিবসেনা, অথবা তার গোষ্ঠীকে অন্য কোনও দলের সঙ্গে মিলিয়ে দিতে হবে। নতুন আইনে দলে বিভাজনকে মর্যাদা দেওয়া হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications