'ওয়াটার স্ট্রাইক' করতেই লাইনে পাকিস্তান! না হলে হঠাৎ হামলার দায় কেন অস্বীকার TRF এর, পিছনে কার নির্দেশ?
Pahalgam Attack: হঠাত ভোলবদল! পহেলগাঁও হামলার ঘটনার সঙ্গে কোনও দায় নেই বলে দাবি লস্কর ই তৈবা ঘনিষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন The Resistance Front (TRF) এর। একেবারে ধর্ম দেখে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংস ভাবে খুন করে জঙ্গিরা। আর এই ঘটনার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দায় নেয় The Resistance Front (TRF) নামে এই জঙ্গি সংগঠন। এমনকী এই সংগঠনের অন্যতম কমান্ডার সাইফুল্লাহ খালিদ বা সাইফুল্লাহ কাসুরির নাম সামনে আসছে।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, লস্করের প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদের খুবই ঘনিষ্ঠ এই সাইফুল্লাহ। তার মদতেই ভয়াবহ এই জঙ্গি হামলা (Pahalgam Attack) ঘটেছে বলেও দাবি। আর এই তথ্য সামনে আসার পরেই আরও নড়েচড়ে বসেছে ভারত। ইতিমধ্যে জঙ্গিদের খোঁজে কাশ্মীর জুড়ে বিশেষ অপারেশন চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গত্ ২৪ ঘণ্টায় একের পর এক জঙ্গির বাড়িতে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে সেনাবাহিনী। তল্লাশিতে এখনও পর্যন্ত দুজন সন্দেহভাজন জঙ্গিও ধরা পড়েছে।

একদিকে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে 'ঘরে'র মধ্যে অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা, অন্যদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও বড়সড় অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের তিন সেনাবাহিনী অর্থাৎ স্থল, নৌবাহিনী এবং এয়ারফোর্স একযোগে যুদ্ধের মহড়া শুরু করে দিয়েছে। আর তাতেই ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের। এখানেই শেষ মোদী সরকারের 'ওয়াটার স্ট্রাইকে' রাতের ঘুম চলে গিয়েছে পাকিস্তানের কর্তাদের। পহেলগাঁও ঘটনার পরেই সিন্ধু চুক্তি বাতিল করেছে ভারত।
আর তাতে জল কার্যত না পেয়ে শুকিয়ে মরার জোগার হবে ওপারে। আর তাতেই কি ভয় পেয়েছে পাকিস্তান? না হলে হঠাত কেন ঘটনার দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে The Resistance Front (TRF)?
কাশ্মীরে সক্রিয় The Resistance Front (TRF)
কাশ্মীরের মাটিতে সক্রিয় The Resistance Front (TRF)। একদিকে লস্করের সঙ্গে যোগ অন্যদিকে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই'য়ের মদত আছে এই সংগঠনে। গত কয়েক বছরে একাধিক জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে এই সংগঠনের যোগ সামনে এসেছে। কখনও কাশ্মীরি পন্ডিতদের হত্যা তো আবার কখনও ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের উপত্যকায় ন্রশিওংস ভাবে খুন করেছে জঙ্গিরা। পহেলগাঁও ঘ|টনার পরেও বড়বড় করে বার্তা দেয় টিআরএফ।
সংগঠনের দাবি, পহেলগাঁওতে হামলার কিছুক্ষণ পরই একটি ডিজিটাল প্লাটফর্মে দায় স্বীকার করে একটি পোস্ট করা হয়। পরে অন্তর্বর্তী একটি অডিটে দেখা যায়, এটি আসলে সাইবার ইনট্রুসন। এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হচ্ছে। কারা এই সাইবার হানা ঘটাল, তা দেখা হচ্ছে। এরপরেই এই বিষয়ে বার্তা বলেও দাবি নিষিদ্ধ এই জঙ্গি সংগঠনের।












Click it and Unblock the Notifications