লাদাখকে রক্তস্নাত করতে কত ট্রুপ নিয়ে চিন আক্রমণ চালায়! পর্দাফাঁস হতেই বেজিংয়ের বেনজির মিথ্যাচার
লাদাখকে রাতের অন্ধকারে রক্তস্নাত করতে ৫০০ ট্রুপ নিয়ে চিন আক্রমণ চালায়! পর্দাফাঁস হতেই বেজিংয়ের বেনজির মিথ্যাচার
আশঙ্কাটা ছিলই। আর সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে ২৯-৩০ অগাস্ট চিন ফের পূর্ব লাদাখে সংঘাতের পথে হাঁটে। এদিকে, ভারতের সীমানায় পা রাখলে যে তার যোগ্য জবাব পেতে হবেই , তা দেশের প্রধানমন্ত্রী আগেই জানান দিয়েছিলেন। আর সেই মতো চিনের সেনা জবাবও পেয়েছে! ফলে , ১৪ থেকে ১৫ জুনের পর ২৯-৩০ অগাস্ট ফের লাদাখ উত্তপ্ত হয়েছে। বিস্তারবাদে বুঁদ চিন , কীভাবে লাদাখের বুকে আক্রমণ শানানোর চেষ্টা করেছে দেখে নেওয়া যাক।

অশান্ত লাদাখ ও চিনের প্যাঁয়তারা
গালওয়ানে রক্তক্ষয়ী মল্লযুদ্ধের ১০০ দিন পর ফের একবার পূ্র্ব লাদাখে পা রাখার চেষ্টা করেছে লালফৌজ। এই খবর গত ২৯-৩০ অগাস্টের। এদিকে, লাদাখ ঘিরে চিনের একের পর এক প্যাঁয়তারা যে সংঘর্ষকে দীর্ঘস্থায়ী করবে তা আগেই আঁচ করেছিল ভারতীয় সেনা। সেই মতো শীতকাল পর্যন্ত রেশন মজুতের পাশাপাশি, যোগ্য জবাব দেওয়ার তাবড় অস্ত্র চিন সীমানায় মোতায়েন করেছে দিল্লি। এদিকে সেনা সূত্রে ২৯-৩০ অগাস্ট নিয়ে একাধিক চাঞ্চল্যকর খবর উঠে আসছে।

প্যানগংয়ের কাছে সংঘর্ষ ও চিনের সেনা
চিন প্যানগং লেকের পাড় ধরে সাড়ি বেঁধে সেনা মজুত করতে থাকে ২৯-৩০ অগাস্ট। আর এভাবেই পূর্বা লাদাখে ভারতীয় সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করেছে। সেনা সূত্রের খবর সেই সময় চিন ৫০০ ট্রুপ নিয়ে লাদাখে পা রাখতে চেয়েছিল। তবে ভারতীয় সেনার তৎপরতায় তা হতে পারেনি।

রাতের অন্ধকারে কী ঘটেছে?
ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর ,২৯-৩০ অগাস্ট রাতের অন্ধকারে চিন ওই ৫০০ ট্রুপ নিয়ে ভারতের প্যানগং এলাকা দখলের পথে এগোতে থাকে। এর আগে জুই দেশের সেনার মধ্যে সংঘাত নিয়ে যে মধ্যস্থতার পথ বেছে নেওয়া হয়, সেই শর্ত ও চুক্তি ও পরিস্থিতিকে আঘাত করে এই হামলা মেনে নেয়নি ভারত।

জে ২০ নিয়ে প্রস্তুত ছিল চিন!
এদিকে, জানা যাচ্ছে, যেদিন নতুন করে লাদাখে হামলা করে চিন, তার আগে থেকেই জে ২০ যুদ্ধ বিমান নিয়ে সীমান্তের ওপারে প্রস্তুতি নিয়েছে চিন। বহুদিন ধরেই একাধিক স্যাটেলাইট চিত্র চিনের সীমান্তের ওপারে জে ২০ মোতায়েনের ছবি তুলে ধরেছে।

বেজিংয়ের মিথ্যাচার
এদিকে, এই ঘটনার পর চিন সাফ ভাষায় জানিয়েছে, ' চিনের সেনা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পার হয়নি।' উল্লেখ্য, এর দ্বারা ভারতের যাবতীয় বক্তব্যকে নস্যাৎ করেছে চিন। কিছুতেই বেজিং মেনে নিতে চায়নি তাদের ভারত আক্রমণের অভিযানের কথা। যা সাম্প্রতিককালে চিনের অন্যতম বেনজির মিথ্যাচার।

চুশুলে বৈঠক
লাদাখের গালওয়ানে চিন এবং ভারতের সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে তৈরি হয়েছে একটা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি। চিনা আগ্রাসন নীতির জেরে কার্যত তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে ভারত-চিন কূটনৈতিক সম্পর্ক। এই অবস্থায় দুই পক্ষের সেনাই আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এর মাঝেও চিনা সেনা নিজেদের আসল রং দেখাতে প্রস্তুত।












Click it and Unblock the Notifications