'রাহুল-সোনিয়ার সঙ্গে কথা বলে ঠিক করব', কর্ণাটক ক্রাইসিস নিয়ে জানালেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়গে
কর্ণাটকে রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়তেই, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এদিন বুধবার জানান যে, তিনি রাহুল গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধী-সহ রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে হস্তক্ষেপ করবেন। রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় খাড়গে বলেন, রাজ্যের পরিস্থিতি পুরোপুরি মূল্যায়ন করার ক্ষমতা শুধুমাত্র সেখানকার মানুষেরই আছে। তবে, তিনি নিশ্চিত করেন যে, প্রয়োজন অনুযায়ী কংগ্রেস হাইকমান্ড এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে।
"সেখানকার মানুষই বলতে পারবে সরকার কী করছে। তবে আমি বলতে চাই, আমরা এই ধরনের সমস্যা সমাধান করব," খাড়গে যোগ করেন। তিনি আরও জানান যে, দলের শীর্ষ তিন নেতা — রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী এবং তিনি নিজে — বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন।

খাড়গে বলেন, "হাইকমান্ডের সদস্যরা, রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী এবং আমি, সবাই একসঙ্গে বসে এটি নিয়ে আলোচনা করব। আমরা প্রয়োজনীয় মধ্যস্থতা করব।"
রবিবার সিদ্ধারামাইয়ার সঙ্গে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকের পর, চলমান জল্পনার জবাবে খাড়গে বলেছিলেন, "আমরা কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করিনি... যে সিদ্ধান্তগুলি নিতে হবে, তা হাইকমান্ডই নেবে।"
এর আগে কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার জানান যে, হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, তিনি তা মেনে চলবেন। তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক এবং পরের দিন ইন্দিরা গান্ধী অঙ্গনওয়াড়ি কর্মসূচি রয়েছে। এরপর তিনি দিল্লিতে যাবেন কি যাবেন না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
বর্তমান অস্থিরতার মূলে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের মধ্যে কথিত আড়াই বছরের ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তি, যা শিবকুমারের অনুগামীরা বলছেন পূরণ করা হয়নি। শিবকুমারের সমর্থকরা যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, এই চুক্তি অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর পদ এখন তাঁর কাছে হস্তান্তর করা উচিত, যা হাইকমান্ডের উপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।












Click it and Unblock the Notifications