Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

কর্নাটক নির্বাচন: লিঙ্গায়েত ভোট ধরে রেখেই চার দশক পুরনো ইতিহাস ছোঁয়ার লক্ষ্যে বিজেপি

কর্নাটকে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে মূলত ভোটের লড়াই হতে চলেছে। বিজেপি প্রায় চার দশক পুরনো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে পারে কিনা সেটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে কংগ্রেস গেরুয়া শিবিরকে সরিয়ে ফের একবার কর্নাটকের ক্ষমতা দখল করতে পারে কিনা সেটাও দেখার বিষয়।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রাখলে বিজেপি এবং কংগ্রেস দুই শিবিরের জন্যই কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচন নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা এ রাজ্যে ভালো করবেন তাঁরা কিছুটা হলেও অ্যাডভান্টেজে থাকবেন। ১৯৮৫ সালের পর থেকে কর্নাটকে যতবার ভোট হয়েছে কোন দলই পরপর দুবার জিততে পারেনি। গত ৩৮ বছরে কোনও দলই পরপর দুবার ক্ষমতায় আসতে পারেনি। বিজেপি এবার সেই ইতিহাস বদলের লক্ষ্যেই নেমেছে।

কর্নাটক নির্বাচন: লিঙ্গায়েত ভোট ধরে রেখেই চার দশক পুরনো ইতিহাস ছোঁয়ার লক্ষ্যে বিজেপি

জেডিএস কি এবারও কিংমেকার?

২০১৮ সালের নির্বাচনে রাজ্যের আর এক বড় দল জেডিএস বা জনতা দল সেকুলার বড় ভূমিকা নেয়। তাঁরা কিংমেকার হয়ে ওঠে। এইচডি কুমারস্বামী গতবার সেই কিংমেকার হয়েই মুখ্যমন্ত্রী হয়ে শপথ নিয়েছিলেন। তবে পরে সরকার টিকিয়ে রাখতে পারেননি। বিজেপি মাঝপথে সরকার দখল করে।

ইতিমধ্যে কংগ্রেস ১২৪টি আসনে ও জেডিএস ৯৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। মোট আসন ২২৪টি। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৩টি আসন। বিজেপি ২০১৮ সালে ১০৪টি আসন পেয়েছিল। কংগ্রেস পেয়েছিল ৮০টি আসন।

কর্নাটক নির্বাচন: লিঙ্গায়েত ভোট ধরে রেখেই চার দশক পুরনো ইতিহাস ছোঁয়ার লক্ষ্যে বিজেপি

ত্রিমুখী লড়াই কর্নাটকে

গত তিন দশক ধরেই কর্নাটকে ত্রিমুখী লড়াই হয়ে চলেছে। কোথাও কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির সরাসরি লড়াই, তো কোথাও জেডিএস ও বিজেপি সম্মুখ সমরে নেমে একে অপরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে কর্নাটকের ভোটে। এবারও সেরকম কিছুই ঘটতে চলেছে নিঃসন্দেহে।

কর্নাটকে আম আদমি পার্টি কিছুটা চেষ্টা করলেও এখনও সেভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেনি। এছাড়াও কল্যাণ রাজা প্রগতি পক্ষ, বাম, বিএসপি, এসডিপিআই, এআইএমআইএম এর মতো দলও লড়াই করবে বেশ কিছু আসনে।

কর্নাটক নির্বাচন: লিঙ্গায়েত ভোট ধরে রেখেই চার দশক পুরনো ইতিহাস ছোঁয়ার লক্ষ্যে বিজেপি

কোন এলাকায় কে শক্তিশালী

১৯৮৫ সালে শেষবার জনতা দল রামকৃষ্ণ হেগড়ের নেতৃত্বে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরে। এবার বিজেপি সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে পারে কিনা সেটাই দেখার। কংগ্রেসের রাজ্য জুড়ে ভোট শেয়ার রয়েছে। তবে বিজেপির দাপট বেশি উত্তর ও মধ্য কর্নাটকে। কারণ এই এলাকায় লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের মানুষের বাস। এঁরাই বিজেপির সবচেয়ে বড় শক্তি। অন্যদিকে জেডিএস শক্তিশালী দক্ষিণ কর্নাটক এলাকায়। সেখানে বসবাস ভোক্কালিগাদের।

কর্নাটক নির্বাচন: লিঙ্গায়েত ভোট ধরে রেখেই চার দশক পুরনো ইতিহাস ছোঁয়ার লক্ষ্যে বিজেপি

লড়াই লিঙ্গায়েত ও ভোক্কালিগাদের

কর্নাটকের মোট জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ লিঙ্গায়েত, ভোক্কালিগাদের জনসংখ্যা ১৫ শতাংশের মতো। ওবিসি ৩৫ শতাংশ, তপশিলি জাতি-উপজাতি ১৮ শতাংশ, ১২.৯২ শতাংশ হল মুসলমান ও ৩ শতাংশ হল ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়।

পুরনো মাইসোর এলাকায় মোট ৮৯টি আসন রয়েছে। এই আসনগুলোয় বিজেপি দুর্বল। আর সেজন্যই এর আগের ভোটে অনেকটা এগিয়েও বিজেপি পুরোপুরি ক্ষমতা দখল করতে পারেনি। ফলে এবার শুরু থেকেই এই এলাকাগুলিতে বিজেপি জোর দিয়েছে। সবমিলিয়ে রাজ্যে ১৫০টি আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে বিজেপি মাঠে নেমেছে।

কর্নাটক নির্বাচন: লিঙ্গায়েত ভোট ধরে রেখেই চার দশক পুরনো ইতিহাস ছোঁয়ার লক্ষ্যে বিজেপি

ফ্যাক্টর লিঙ্গায়েতরাই

লিঙ্গায়েতদের ওপর ভরসা করেই এবারও বিজেপি জয়ের পরিকল্পনা সাজিয়েছে। ১০০টির বেশি আসনে লিঙ্গায়েতরাই ফ্যাক্টর। রাজ্যে মোট ৫৪জন লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের বিধায়ক রয়েছেন। যার মধ্যে ৩৭ জন বিজেপি দলের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ২৩জন মুখ্যমন্ত্রীর মধ্য়ে ১০ জন লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের মানুষ ফলে বিজেপির জয় লুকিয়ে লিঙ্গায়েতদের নিজেদের কাছে ধরে রাখার মধ্যে দিয়েই।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+