ঘুষ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ককে গ্র্যান্ড ওয়েলকাম, জামিন মিলতেই এলেন প্রকাশ্যে
দলীয় কর্মীরা কর্ণাটকের ঘুষ নেওয়ায় অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ককে গ্র্যান্ড ওয়েলকাম জানান। বিজেপি বিধায়ক ঘুষের মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক ছিলেন।
কর্নাটকে বিজেপি বিধায়কের বাড়িতে টাকার পাহাড় উদ্ধারের পর থেকেই চাপানউতোর শুরু হয়েছিল। বিরোধীরা অভিযোগ করছিলেন, বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের দুর্নীতি সামনে আসার পর তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে কোনো প্রমাণের তোয়াক্কা না করেই, তাহলে কেন গ্রেফতার করা হবে না অভিযুক্ত বিধায়ক ও তাঁর ছেলেকে।
অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতার তো করা হলই না, উল্টে এদিন কর্নাটক হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পাওয়ার পর রীতিমতো বিধায়ককে নিয়ে শোভাযাত্রা করা হল। বিজেপি বিধায়ক মাদল বীরূপাক্ষপ্পা আগাম জামিন পাওয়ার তিনি রীতিমতো সংবর্ধনা পেলেন।

দলীয় কর্মীরা কর্ণাটকের ঘুষ নেওয়ায় অভিযুক্ত বিজেপি বিধায়ককে গ্র্যান্ড ওয়েলকাম জানান। বিজেপি বিধায়ক ঘুষের মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক ছিলেন। কর্নাটক হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন তিনি। এদিন দাভানাগেরে তাঁর সমর্থকরা তাঁকে নিয়ে রীতিমতো উৎসব করেন। দাভানাগেরে জেলার চান্নাগিরির একজন বিধায়ক বীরুপাক্ষাপ্পা ঘুষের মামলায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন। তাঁর ছেলে ৪০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন।
মঙ্গলবার বিজেপিকর্মীরা কর্ণাটক সাবান ও ডিটারজেন্টস চুক্তি কেলেঙ্কারির প্রধান অভিযুক্ত চান্নাগিরির বিধায়ক মাদল বিরুপাক্ষাপ্পাকে কর্নাটক হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন আগাম জামিন দেওয়ার পর রীতিমতো উৎসব উদযাপন করেন। প্রশান্ত মাদলকে ঘুষের মামলায় গ্রেফতারের পর গত পাঁচ দিন ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।
বিজেপি কর্মীরা এদিন বীরাপাক্ষপ্পাকে স্বাগত জানাতে দেখা যায়। দলের কর্মীদের বিজেপির পতাকা নিয়ে স্লোগান দেন। বীরুপাক্ষপ্পার ছেলে বেঙ্গালুরু জল সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন বোর্ডের প্রধান অ্যাকাউন্টস অফিসার। তিনি বাবার নাম করে ৪০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় ধরা পড়ার পরে পুলিশ ২ মার্চ তাকে গ্রেফতার করেছিল৷ এরপর দুর্নীতি দমন শাখা তাঁর বাসভবনে অভিযান চালিয়ে ৬ কোটি টাকা উদ্ধার করে।
ছেলের গ্রেফতারের পর বিজেপি বিধায়র কেএসডিএলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন। মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইকে লেখা পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন, এটা সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র। লোকাযুক্ততে যে অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে যা কিছু ঘটছে তার জন্য নৈতিক দায় নিয়ে আমি কেসিডিএলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।
মুখ্যমন্ত্রী বোম্মাই বলেন, "আমাদের সরকার দুর্নীতিতে জড়িত কাউকে ছাড় দেয় না। রাজ্যের লোকায়ুক্ত সংস্থাটি কংগ্রেস সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পরে এটি পুনরায় চালু করেছি। অনেক কংগ্রেস নেতা সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। এটা আমাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ।"












Click it and Unblock the Notifications