কানপুরে রক্তলীলা চালানো গ্যাংস্টার দুবে কোথায় ধরা পড়ল সিসিটিভি ফুটেজে! রুদ্ধশ্বাস তল্লাশি পুলিশের
গোটা উত্তরপ্রদেশ সহ আরও একাধিক এলাকায় সাদা পোশাকে ঘুরছে পুলিশ। মোট ১০০ টি লোকেশনে ২৫ টি পুলিশের টিম। পাখির চোখ 'শিবলি ডন' দুবে। কানপুরে গত শুক্রবার ৮ জন পুলিশকে রাতের অন্ধকারে নৃশংসভাবে খুন করেছিল এই বিকাশ দুবের গ্যাং। আর সেই বিকাশ গা ঢাকা দিয়ে এই মুহূর্তে কোথায়, তা পুলিশের কাছে খবর এসে গিয়েছে।

কোথায় বিকাশ দুবে?
উত্তরপ্রদেশ এসটিএফ খোঁজ পেয়েছে হরিয়ানার ফরিদাবাদে বিকাশ দুবে পৌঁছেছে। সেখানে একটি হোটেলে সে ভাড়া নিয়ে ছিল। ঘটনার সত্যতা হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে এসেছে। এদিকে পুলিশের চোখে ধুলো দিতে বিকাশ নিজের ফোনের শেষ লোকেশনে মধ্যপ্রদেশ সীমান্ত দেখিয়ে ফোন অফ করে দেয়। এরপরই ফরিদাবাদের কথা জানা যায়।

নৃশংস হত্যাকান্ড
যে সমস্ত পুলিশকর্মীকে এনকাউন্টারের রাতে খুন করা হয়, তাঁদের দেহ পরে টুকরো টুকরো করা হয়েছে। বিল্লাহউরের এক পুলিশ অফিসারের মস্তক দেহ বিচ্ছিন্ন করে বিকাশ দুবের গুণ্ডারা। এখানেই শেষ নয়, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই অফিসারের পায়ের আঙুল ঠান্ডা মাথায় কেটে ফেলা হয়েছে। এই অফিসারের পায়ের আঙুল ঠান্ডা মাথায় কেটে ফেলা হয়েছে।

ঘটনার দিন ভোররাতে গোটা গ্রাম লোডশেডিং!
পুলিশ যখন বিকাশকে ধরতে কানপুর দেহাত এলাকার বিকর্ু গ্রামে ঢোকে তখন দেখতে পায়, পদে পদে তাঁদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। প্রথমে গ্রামের রাস্তায় একের পর এক আর্থ মুভার ছিল, পরে গোটা গ্রাম পুলিশ ঢুকতেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। আর এই বিদ্যুৎ বিছিন্ন হওয়ার ঘটনা থেকেই পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ছিল যে বিকাশকে পাকড়াও করার খবর সম্পর্কে তথ্য কেউ ডনকে দিয়ে দিয়েছে।

সর্ষের মধ্যেই ভূত!
বিদ্যুৎ দফতরে তল্লাশি জানিয়ে পুলিশ জাবতে পারে, সেই রাতে একটি নম্বর থেকে ফোন আসে। আর তাতে বলা হয়, যে বিক্রু গ্রামে (বিকাশের গ্রাম) যেন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে সেই ফোন নম্বর মিলিয়ে দেখা যায়, সেটি এক পুলিশ কর্মীর। ফলে পুলিশের মধ্যে থেকেই যে বিকাশের কাছে তল্লাশি সম্পর্কে খবর আগেভাগেই পৌঁছে ছিল, সে প্রমাণ আপাতত উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে।












Click it and Unblock the Notifications